ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বাজার দর ]

ক্রেতাশূন্য বাজারেও গরুর মাংসের চড়া দাম (১৮ এপ্রিল, ২০২৪)

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪
ক্রেতাশূন্য বাজারেও গরুর মাংসের চড়া দাম (১৮ এপ্রিল, ২০২৪)
ফাইল ফটো

ঈদ পরবর্তী সবজির বাজারে ফিরেছে স্বস্তি। ক্রেতা না থাকায় সবজির দাম কেজিপ্রতি কমেছে প্রায় ২০ থেকে ৫০ টাকা। তবে খুশির খবর নেই মাংসের বাজারে। মুরগির দাম কিছুটা কমলেও এখনো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের বাজারে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া গরুর মাংস এখনো একই দামেই বিক্রি হচ্ছে। সাধারণত ৩০-৫০ টাকা কমে ব্রয়লারের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। ঈদের আগে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া লেয়ার কেজিপ্রতি ৪০ টাকা কমে এখন ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা কমে ৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি।

Advertisement

এদিকে সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রায় প্রতিটি সবজির দামই কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা না থাকায় কম দামে মালপত্র বিক্রি করতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি শসা ৪০ টাকা, প্রতি হালি মাঝারি সাইজের লেবু ৩০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, উস্তা প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া গত সপ্তাহে ৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া বেগুন (গোল) প্রতি কেজি দাম কমে ৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ২০ টাকা কমে ৪০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে, ৪০ টাকায় টমেটো ৩০ টাকায়, ৪০ টাকা কেজি দরের ঢেঁড়স ৩০ টাকা, ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা কেজি, ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া ধুন্দল ৪০ টাকা এবং ৬০ টাকা পিসপ্রতি বিক্রি হওয়া ফুলকপি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা আব্দুস সামাদ বলেন, বাজারে তেমন লোকজন নেই। কাঁচামাল বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। অনেক মাল আছে বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। চাহিদা না থাকায় মোটামুটি সব ধরনের সবজির দাম এখন অনেক কম। এখনো অনেকে ঢাকা ফেরেনি। ঢাকা ফিরলেই আবার সবকিছু দাম আগের মতোই হবে।

আরেক বিক্রেতা আব্দুর জব্বার মিয়া বলেন, আড়তে এখন কম দামে সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কম দাম হলেও কেউ কিনছে না সবজি। ঢাকায় তো মানুষ নেই। ঈদ শেষ করে অনেকেই এখনো ঢাকায় ফেরেনি। মানুষ না থাকায় চাহিদা কম, দামও কম।

রবিউল ইসলাম নামের এক ক্রেতা বলেন, ঈদে গ্রামে যাওয়া হয়নি। ঢাকাতেই ঈদ করেছি। সবজির দাম এখন তুলনামূলক অনেক কম। সারা বছর এমন দামে সবজি পেলে ভালো হতো। কিন্তু সেটা তো আর পাওয়া যাবে না।

মাংস কিনতে আসা রায়হান বলেন, সবজির দাম কম, মাংসের দাম তো কমেনি। আগে যে দামে আমি মাংস কিনেছি এখনো একই দামে মাংস কিনতে হচ্ছে। মাংসের এত বেশি দাম হলে মানুষ খাবে কীভাবে?

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে
ট্যাগ: গরু বাজারদর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!