ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বাজার দর ]

আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু-পেঁয়াজ ও মুরগি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৪৯, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু-পেঁয়াজ ও মুরগি
ফাইল ফটো

রাজধানীর শীতের আগমনের আগেই মৌসুমি সবজির সরবরাহ বাড়তে থাকায় কিছুটা সহনশীল রয়েছে সবজির দাম। তবে গত মাস থেকে উচ্চ মূল্যে বিক্রি হওয়া আলু পেঁয়াজের দাম কমছেই না। মাংসের বাজারের মধ্যে সাধারণ মানুষ মুরগির বাজার চিনে থাকে। সেখানেও দীর্ঘদিন ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। 

মঙ্গলবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মতিঝিল, হাতিরপুল, কারওয়ান বাজারসহ অন্য বাজার ঘুরে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

সবজির বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি নতুন আলু ১২০, টম্যাটো ১৩০ থেকে ১৪০, কাঁচা মরিচ ১০০, বরবটি ৭০ থেকে ১০০, শসা ৬০, করলা ১০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচা টম্যাটো ৬০, মুলা ৪০, পটোল ৬০, বিচিওয়ালা শিম প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ শিম ৬০, কচুর লতি ৮০, গোল বেগুন ৮০, লম্বা বেগুন ৬০, শালগম ৬০, পেঁপে ৪০ থেকে ৫০, মিষ্টিকুমড়া ৪০ থেকে ৫০, পিঁয়াজের ফুল প্রতি আঁটি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আর মানভেদে প্রতি পিস ফুলকপি, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

এছাড়া, লেবুর হালি ১০ থেকে ২০ টাকা, ধনে পাতার কেজি ৪০ টাকা, কলার হালি ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এছাড়া বাজারগুলোতে লাল শাক ২০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ২০ টাকা, পালং শাক ২০ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ৫০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারে ডজন প্রতি সাদা ফার্মের ডিম ১৩৫ টাকা, লাল ফার্মের ডিম ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া হাঁসের ডিম ডজন প্রতি ২২০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ডজন প্রতি ২৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৯০ টাকা, দেশি মুরগি ৫২০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, ছাগলের মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে কেজি প্রতি দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা, আলু ৭০ টাকা, মান ভেদে নতুন আলু ১০০-১১০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ১০০ টাকা, রসুন ২২০ টাকা এবং আদা ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজি প্রতি মোটা চাল ৫৭ টাকা, মিনিকেট ৭৩ টাকা, আটাশ চাল ৬১ টাকা, কাটারি নাজির ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাল আমনধানের চাল ৯০ টাকা, সুগন্ধী চিনিগুড়া পোলার চাল ১৩৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

রাজধানী ঢাকার বাজারের মুদি দোকানের পণ্যের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও কমেছে চিনির দাম এবং বেড়েছে খোলা সয়াবিন ও খোলা সরিষার তেলের দাম। ছোট মসুর ডাল ১৩৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১১০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১১০ টাকা, বুটের ডাল ১৪৫ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৯০ টাকা, ডাবলি ৭৫ টাকা, ছোলা ১৩০ টাকা, প্যাকেট পোলাও চাল ১৫০ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ১১০-১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ২০০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১২৫ টাকা, খোলা চিনি ১২৫ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৫০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১১৫ টাকা এবং খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এছাড়া বাজারে আকার ও ওজন অনুযায়ী ইলিশ মাছ ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা, রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতলা মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কালিবাউশ ৫৫০ টাকা, চিংড়ি মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ৭০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, টেংরা মাছ ৪০০ থেকে ৯০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৬০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, কাজলি মাছ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, শোল মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, মেনি মাছ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, চিতল মাছ ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা, সরপুঁটি ৫০০ টাকা এবং রূপচাঁদা মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারওরান বাজারের মসলার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ভারতীয় জিরা কেজি প্রতি প্রায় ৭৮০ টাকা, শাহী জিরা কেজি প্রতি ১৬৬০ টাকা, মিষ্টি জিরা কেজি প্রতি ২৪০ টাকা, পাঁচফোড়ন কেজি প্রতি ২০০ টাকা, রাঁধুনী কেজি প্রতি ৫০০ টাকা, মেথি কেজি প্রতি ১৫০ো টাকা, চিনাবাদাম কেজি প্রতি ১৬০ টাকা, কাজু বাদাম কেজি প্রতি এক হাজার ৬০০ টাকা, পেস্তা বাদাম কেজি প্রতি দুই হাজার ৭৫০ টাকা, ত্রিফলা কেজি প্রতি ১৫০ টাকা, জয়ফল কেজি প্রতি ৮০০ টাকা, তেজপাতা কেজি প্রতি ১৮০ টাকা, সাদা গোলমরিচ কেজি প্রতি ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা, গোলমরিচ কেজি প্রতি এক হাজার ২০০ টাকা, ধনিয়া কেজি প্রতি ২৫০ টাকা, সরিষা প্রতিকেজি ১০০ টাকা, কিসমিস কেজি প্রতি ৫২০ থেকে ৫৪০ টাকা, এলাচ কেজি প্রতি তিন হাজার ৮০০ টাকা, কালো এলাচ কেজি প্রতি ৩ হাজার টাকা, লবঙ্গ কেজি প্রতি ১ হাজার ৭০০ টাকা, জয়ত্রি কেজি প্রতি দুই হাজার ৯০০ টাকা, পোস্তদানা কেজি প্রতি এক হাজার ৮০০ টাকা, আলুবোখারা কেজি প্রতি ৫৫০ টাকা, দারুচিনি কেজি প্রতি ৫৫০ টাকা, খোলা হলুদের গুঁড়া কেজি প্রতি ৩৭০ টাকা, খোলা মরিচের গুঁড়া কেজি প্রতি ৪৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার ভেদে মসলার দামের ভিন্নতা রয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!