ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বাজার দর ]

সবজি ছাড়া সব নিত্যপণ্যই উচ্চ মূল্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:১৪, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
সবজি ছাড়া সব নিত্যপণ্যই উচ্চ মূল্যে
বাজার- ফাইল ফটো

বাজারে সবজি, পেঁয়াজ ও আলুর দাম কমেছে। তবে চাল, সয়াবিন তেলসহ অন্যান্য সব নিত্যপণ্যের চড়া দামের কারণে সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মতিঝিল, হাতিরপুল, কারওয়ান বাজারসহ অন্য বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি পিস বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকা, মেটে আলু ৬০, পেঁয়াজের কলি ৪০, ওলকপি ৩০, ব্রুকলি ৭০, গাজর ৬০, মানকচু ৫০, মিষ্টি আলু ৮০, টমেটো ৮০ থেকে ১০০, ক্যাপসিকাম ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

অন্যান্য সবজির মধ্যে বেগুন ৪০ থেকে ৬০, ঢেড়স ৫০ থেকে ৬০, কচুর লতি ৬০, মিষ্টি কুমড়া, পটল ৫০, লাউ ৩০ থেকে ৪০, বরবটি, ঝিঙে, চিচিঙ্গা ৬০, কাঁচকলা, পেঁপে ৪০, শসা ৫০ টাকা ও কাঁচামরিচের বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে।

এদিকে, কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের দাম। নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে। পুরনো পেঁয়াজ ৮০ টাকা। নতুন আলু ৬০ টাকা। পুরনো আলু ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রসুন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়। আদা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

মশলার মধ্যে জিরা বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজিতে। গোলমরিচ এক হাজার ২০০ টাকা। দারুচিনি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। লবঙ্গ এক হাজার ৮০০ টাকা। এলাচ তিন হাজার ২০০ থেকে ৪০০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে, যা গত সপ্তাহে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজিতে, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ২৯০ টাকা কেজিতে। লেয়ার মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা। দেশি মুরগি ৫০০ টাকা। গরুর মাংস ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা। খাসির মাংস এক হাজার থেকে এক হাজার ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। 
মাছের বাজারে ইলিশ মাছে বাড়তি দাম অব্যাহত রয়েছে। বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে দুই হাজার টাকা কেজিতে। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য মাছও।

ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৬ থেকে ৪৭ টাকা হালিতে। সোনালী মুরগির ডিম ৫৬ টাকা। দেশি মুরগির ডিম ৭০ টাকা। হাঁসের ডিম ৭০ থেকে ৮০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে অব্যাহত রয়েছে বাড়তি দাম। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে। আঠাশ ৫৮ থেকে ৬৪, কাজললতা ৫৬ থেকে ৬৬, মিনিকেট ৬৬ থেকে ৭৪, বাসমতি ৮২ থেকে ৮৮, নাজিরশাইল ৭৮ থেকে ৮২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। 

অন্যদিকে, সয়াবিন তেলের সংকট কাটেনি বাজারে, চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। কিছু কিছু দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল আসতে শুরু করেছে, তবে একে অন্যের বিরুদ্ধে বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ করছেন খোদ বিক্রেতারাই। এছাড়া, একটির জায়গায় ডিলার কর্তৃক দু-তিনটি পণ্য কেনার শর্ত জুড়ে দেওয়ায় পর্যাপ্ত সয়াবিন তেল মিলছে না বাজারে। বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা কেজি দরে। বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা লিটারে। 

মুদি দোকানি বলেন, বিক্রেতারা সয়াবিন তেল নির্ধারিত মূল্য বিক্রি করছেন না। তাই একেক দোকানে একেক দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল। ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত লাভ রাখছেন কোন কোন দোকানি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!