বুধবার সকালে র্যাব সদর দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
গোয়েন্দা প্রধান জানান, সাহেদের কুকীর্তি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ায় তার পালিয়ে থাকতে কষ্টকর হয়ে পরে। তাই ভারতে পালাতে একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তিনি।
.png)
এদিকে র্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া ইউং এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, সাহেদের অপকর্মের সবকিছু জানার চেষ্টা করছি। এরইমধ্যে তার মদদদাতাদের অনেকের নাম আমরা জানতে পেরেছি।
তিনি জানান, সে নিজেকে আড়াল করতে নানা সময় নানান ধরণের ছদ্মবেশ ধারণ করেছেন। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা পাননি।
উল্লেখ্য, ক্ষণে ক্ষণে অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন ধুরন্ধর সাহেদ। চেহারা পরিবর্তনের জন্য চুলে রঙ করেছিলেন তিনি। কেটে ফেলেছিলেন গোঁফ। নৌকায় করে নদী পার হয়ে চলে যাচ্ছিলেন তিনি। র্যাবের বিশেষ টিম পৌঁছানোর পর পালানোরও চেষ্টা করেন। র্যাবের টিম দেখে নৌকার মাঝি সাঁতরে পালিয়ে যান। কিন্তু মোটা হওয়ায় আর দৌড়ে কিংবা সাঁতরে পালাতে পারেননি প্রতারক সাহেদ। এ সময় তার পরনে ছিল কালো রঙের বোরকা।
আটকের পর দেখা গেছে, সাহেদের গায়ের বিভিন্ন জায়গায় লেগে ছিল কাদা। কোমরে বাঁধা ছিল পিস্তল।