আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, এপ্রিল মাসে উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মাত্রা হতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের অন্য স্থানেও একটি থেকে দু’টি মৃদু, যার মাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ সেলসিয়াস আর মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মাত্রা হতে পারে ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, মে মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কথা বলা হলেও এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ মাসে উত্তর থেকে মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত দুই থেকে তিনদিন মাঝারি বা তীব্র ধরনের কাল বৈশাখী ঝড় বা বজ্রঝড় হতে পারে। এসময় দেশের অন্য এলাকায় ৩ থেকে ৪ দিন হালকা বা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী বজ্রঝড় হতে পারে।
.png)
পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসে এপ্রিল মাসের চেয়ে বৃষ্টিপাত বেশি হতে পারে। ঢাকায় ২৭৫ থেকে ৩০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। এখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ২৯২ মিলিমিটার। ময়মনসিংহে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমান ৩৮০ মিলিমিটার হলেও মে মাসে এ বিভাগে হতে পারে ৩৬০ থেকে ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। চট্টগ্রামে মে মাসে ২৯৫ থেকে ৩২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমান ৩১০ মিলিমিটার। মে মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত সিলেটে হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর ৪৮৫ থেকে ৫৩৫ মিলিমিটার। এখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ৫১০ মিলিমিটার। রাজশাহীতে বৃষ্টিপাত হতে পারে ১৮৫ থেকে ২০৫ মিলিমিটার। যেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমান ১৯৬ মিলিমিটার। রংপুর বিভাগে মে মাসে ২৫০ থেকে ২৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমান হওয়ার কথা ২৬১ মিলিমিটার।
খুলনায় সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের কথা বলা হয়েছে, ১৬৫ থেকে ১৮৫ মিলিমিটার। যদিও সেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমান ১৭৫ মিলিমিটার। আর বরিশালে ২৪৫ থেকে ২৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা ২৬০ মিলিমিটার।