মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ পরিসংখ্যান তুলে ধরে।
সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঈদুল আজহার আগে ও পরে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, সড়ক, রেল ও নৌ-পথে মোট দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩৫৪টি। মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৪০ জনের এবং আহত হয়েছেন ৭৯১ জন।
.png)
তিনি জানান, ১১৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩১ জন নিহত হয়েছেন। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মানুষের ৩৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।
মোজাম্মেল হক বলেন, গত ৭ বছরের ঈদুল আজহার মধ্যে সর্বোচ্চ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে এবার। যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে অতীতের মতো আমরা একটিও যানবাহন সড়কে বাড়াতে পারিনি। এবারে সড়কে দীর্ঘ যানজটও দেখা গেছে। যানজটের কারণে হোটেলগুলো এ অফার লুফে নিয়েছে। এছাড়া যাত্রীদের ৩০০ টাকার ভাড়া ২০০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়েছে। অনেক স্বপ্ন এবার বাড়ি ফিরতে পারেনি। ঈদযাত্রায় মোটরসাইকেলে ৯ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।