শুক্রবার পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মিটারগুলো চালু হলে সংশ্লিষ্ট জোনগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানো ও সিস্টেম লস কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
এদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সেই হিসাবে গত জুলাই-ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সিস্টেম লসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট।
.png)
তবে জোনভিত্তিক মিটার বসানোয় গ্যাস চুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে। এটা করতে পারলে বছরে এক লাখ তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকার মতো সাশ্রয় হবে বলে তারা মত দিয়েছেন।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, প্রকৃত সিস্টেম লস বাদ দিলে দৈনিক চুরি যাওয়া গ্যাসের পরিমাণ হচ্ছে ১৮০-২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। মাসে প্রায় ছয় হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চুরি হচ্ছে। স্পট মার্কেটের এলএনজির মূল্যের (ঘনমিটার ৫০ টাকা আমদানি শুল্কসহ) সঙ্গে তুলনা করলে চুরি যাওয়া গ্যাসের মূল্য দাঁড়ায় ৩৪৫ কোটি, যা বছরে এক লাখ তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকার মতো।
আন্তর্জাতিকভাবে সিস্টেম লস ২ শতাংশের নিচে থাকলে তাকে আদর্শ বিবেচনা করা হয়। তবে চলতি বছর বিইআরসির গণশুনানিতে বাংলাদেশে গ্যাস খাতে সিস্টেম লস ১০ শতাংশের উপরে হয়। এরপরই এ নিয়ে নড়েচড়ে বসে পেট্রোবাংলা।