জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, সড়ক নিরাপত্তায় জাতিসংঘ একটি প্রেসক্রিপশন ও পাঁচটি পিলার দিয়েছে। প্রত্যেকটিতে কিন্তু টার্গেট অনুযায়ী কাজ করতে হবে। সড়কের নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি স্টেপই গুরুত্বপূর্ণ।
.png)
তারা আরো বলেন, আমরা রোড সেফটি নিয়ে ১১১টি পরামর্শ দিয়েছি। প্রতিটি পরামর্শকে পরিকল্পনার মধ্যে নিয়ে বাস্তবায়নের জন্য সাজাতে হবে এবং কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর পরিপূর্ণ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী বলেন, একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। চালক, গাড়ি, পথচারী, আচরণ, আইনের প্রয়োগের অভাব ও সচেতনতার অভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব বিষয় নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। সড়ক ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমার স্ত্রী মারা যায় ২২ অক্টোবর। আমি আন্দোলন শুরু করি ১ ডিসেম্বর। এত দেরিতে কেন শুরু করি, কারণ আমি বুঝতে চেয়েছিলাম নিরাপদ সড়কের জন্য কী করতে হবে এবং করতে পারব কি-না।
তিনি আরো বলেন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যারা করেন, তাদের কোনো স্বার্থ নেই। তারা দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে এটি করেন। আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য মাটির ব্যাংকে টাকা জমাই। সেই টাকা দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের পরিবারকে সহায়তা করি
প্রতিবছরের মতো এবারো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নিসচা। ১ ডিসেম্বর এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।