আলী জোহার নামে ঐ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ক্যাম্পের জি-৮৪ ব্লকের হামিদ হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর তার পায়ের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শনিবার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
আহত রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি ১৪ জুন গণমাধ্যমে যে তথ্য দিয়েছিলেন সেটা ভয়ে বলেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে তার পায়ে গুলি লেগেছে কিনা নিশ্চিত বলতে পারছেন না। নৌকা থেকে পড়ে আঘাত পাওয়ার পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন।
.png)
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ আসা ট্রলারগুলোতে মিয়ানমারের ভেতর থেকে কোনো গুলি করা হয়নি। এমনকি গুলির শব্দও পাওয়া যায়নি। এছাড়া ট্রলারগুলো সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে আসার পথে নাফ নদীর মোহনায় বা মিয়ানমার সীমান্তের আশপাশে কোথাও যায়নি।