ঢাকা,  মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

[ জাতীয় ]

ড. ইউনূসকে হয়রানি ও অপপ্রচারের নিন্দা ১২ সাবেক উপদেষ্টার

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:১৫, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ড. ইউনূসকে হয়রানি ও অপপ্রচারের নিন্দা ১২ সাবেক উপদেষ্টার
সংগৃহীত ছবি

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অনলাইন অপপ্রচার, হয়রানি ও ব্যক্তিগত হুমকির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ১২ বিশিষ্ট ব্যক্তি। তারা বলেছেন, ভয়ভীতি, মিথ্যাচার ও অনলাইন হয়রানির মাধ্যমে জুলাইয়ে মানুষের প্রত্যাশিত পরিবর্তনের অঙ্গীকার ভেঙে দেওয়া যাবে না।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা এ নিন্দা জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, দেশ যখন সম্পূর্ণ বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল, তখন অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার বহু বছরের অর্থনৈতিক লুটপাট, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পতন, দুর্নীতি, পদ্ধতিগত নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে বিপর্যস্ত দেশ পুনর্গঠনের কঠিন দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছে। ওই সরকারের সময় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো নিন্দনীয় চর্চার অবসান ঘটে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে অন্তর্বর্তী সরকার। তখন প্রত্যাশা ছিল, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলের ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে কিছু রাজনৈতিক দুষ্কৃতকারী ও স্বার্থান্বেষী মহল ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর পাশাপাশি তাঁকে শারীরিকভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়ে বিবৃতিদাতারা বলেন, এর উদ্দেশ্য অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করা।

বিবৃতিতে তারা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এবং তরুণদের বিপুল আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত সংস্কার ও মর্যাদার ঐতিহাসিক অঙ্গীকারকে অপপ্রচার কিংবা ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা ও তার সমর্থকদের প্রচেষ্টায় মুছে ফেলা যাবে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/একেকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!