অনাবৃষ্টির কারণে আমের মুকুল,কাঁঠালের ফুল, আমড়া, লেবুর ফুল শুকিয়ে পড়ে যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয় কৃষক সামসুর রহমান। তিনি বলেন, অন্য বছরগুলোতে এসময় বর্ষার দেখা মিললেও এ বছর বৃষ্টির ফোটা পড়েনি।ফসলের পাশাপাশি গবাদি পশুও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এমনকি মারাও যাচ্ছে বলে জানা যায়।
তাছাড়া বৃষ্টি না হওয়া এবং তাপের কারণে লবন কেটে উঠছে বলে তিনি জানান।
.png)
এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বাড়িতে সবজি ক্ষেত শুকিযে গেছে।
কৃষক গণেশ মণ্ডল বলেন, একেবারে সব শেষ হয়ে গেছে। গত বছর আড়াই বিঘা জমিতে ৮ হাজার টাকা খরচ হলেও এবছর ১৫০০০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বৃষ্টি না হওযায় অনেক দূর থেকে পানি আনতে হচ্ছে। অথচ কিছু লোক খালে লোনা পানি তোলায় তা ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে উঠেছে। এটা আমাদের মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ-য়ের মত।
অনাবৃষ্টির কারণে আগামী বছরগুলোতে বোরো ধানের চাষ কমিয়ে আনবে বলে চিন্তা করছে এখানকার কৃষকরা। কারণ হিসাবে, চলতি মৌসুমে বিঘা প্রতি খরচ বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবুল হোসেন মিয়ার বলেন, বর্ষা না হওয়ায় অবশ্যই মাঠে কৃষকের ক্ষতি হচ্ছে। কয়েক বছরে আগে সরকারিভাবে ভর্তুকি দিয়ে কৃষককে ডিজেল দেয়ার ব্যবস্থা থাকলেও এখন আর নেই। ফলে কৃষক বোরো চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর