ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খবর ]

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের অনিয়ম নিয়ে ফেসবুক পোস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১২:২৬, ২৮ আগস্ট ২০২৪
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের অনিয়ম নিয়ে ফেসবুক পোস্ট
ফাইল ফটো

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানো নিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও অর্থপাচারের অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। সম্প্রতি এসব বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট। এবার মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের অনিয়ম নিয়ে লিখেছেন মো. মনিরুজ্জামান নামের একজন সাংবাদিক। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার লেখা পোস্টটি বেশ সাড়া ফেলেছে। গত সোমবার (২৬ আগস্ট) তিনি এই পোস্টটি করেন। ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য পোস্টটি তুলে ধরা হলো- 

“২০২২ সালে মালয়েশিয়া শ্রমিক প্রেরণের জন্য কলিং চালু হবার পর থেকে দেশের অসহায় মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, এই দুর্নীতির সাথে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের যেসব কর্মকর্তা নিয়োজিত ছিলো তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার করা উচিৎ। দূতাবাসের বর্তমান ডেপুটি হাই কমিশনার খোরশেদ আলম খাস্তগীর সিন্ডিকেটের গডফাদার, তার হাত খুব লম্বা। ডেপুটি হাই কমিশনার খোরশেদ আলম খাস্তগীরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও দূতাবাসে বহালতবিয়তে আছে, শুধু আছেই না কিছু কর্মকর্তা নিজের দলে নিয়ে দূতাবাসে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য তৈরি করে রেখেছে। সাংবাদিকসহ তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে পাসপোর্ট বাতিল করা থেকে শুরু করে গুম করার মতো হুমকি দিতে ছাড়ে না।  

Advertisement

পাসপোর্ট সেবা, ন্যাশনাল আইডির মত স্পর্শকাতর বিষয় যদি তৃতীয় কোন কোম্পানির হাতে সব থাকে, তাহলে দূতাবাসে পাসপোর্ট ডিপার্টমেন্টের এতো লোকের কাজটা কি? বসে বসে জনগণের টাকা লুটেপুটে খাওয়া কি দূতাবাসের কাজ?  

 

যেখানে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট জমা করতে প্রবাসীদের খরচ হতো ১৫৫ রিঙ্গিত থেকে ১৬০ রিঙ্গিত,  সেখানে এখন দূর দূরান্ত থেকে Eskl এর অফিসে আসা যাওয়া খরচ হবে এবং Eskl এর সার্ভিস চার্জ বাবদ ২০ রিঙ্গিত দিতে হবে, তাহলে খরচ কমলো নাকি বাড়লো? সাথে ভোগান্তি তো ফ্রী। প্রশ্ন হলো, পোস্ট অফিসের মাধ্যমে এমআরপি পাসপোর্ট রিনিউ করতে জমা নেয়া বন্ধ ঘোষণা করে কোন পক্ষকে সুবিধা দিতে দূতাবাস প্রবাসীদের পকেট কাটলো?

শুধু মাত্র পাসপোর্ট সেবা দেয়ার জন্য জালাং আম্পাং এর এত বড় অফিস কেনো এত টাকা খরচ করে নেয়া হলো? মালয়েশিয়াতে একমাত্র বাংলাদেশ দূতাবাস যে দূতাবাস কিছু দিন পর পর বেদে জনগোষ্ঠীদের মত স্থান পরিবর্তন করে। মালয়েশিয়ান নাগরিকদের কাছে শুনতে হয়, “আমাদের দূতাবাস কিছু দিন পর পর কেনো জায়গায় পরিবর্তন করে?” এতে করে যে কোটি কোটি টাকা যে নষ্ট হয় সেই টাকা কি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের বাপের টাকা? 

এই লেখার কারণে আমার বিপদ আসতে পারে সেটা আমি জেনে লিখেছি। ছাত্রজনতার শত শত জীবনের বিনিময়ে নতুন স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, এই রক্ত আমরা বৃথা যেতে দিতে পারি না। এখন সময় দুর্নীতি তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার। কোন দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের ঠাই আর বাংলাদেশে হবে না ইনশাআল্লাহ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!