লেখক দীর্ঘদিন সুন্দরবন নিয়ে কাজ করে আসছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে রচিত গল্পগুলো মূলত সুন্দরবনকেন্দ্রিক। বইয়ে ফুটে উঠেছে সুন্দরবনের প্রাণজগৎ, নদী-জঙ্গল ও স্থানীয় মানুষের জীবনচিত্র। শিশু-কিশোররা গল্পের মাধ্যমে প্রকৃতি, প্রাণিসম্পদ ও পরিবেশ সচেতনতার সঙ্গে পরিচিত হবে।
প্রকাশনা সংস্থা জানায়, বইটি শিশুদের কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে জাগ্রত করার পাশাপাশি মানবিক বোধ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। সহজ-সাবলীল ভাষা ও প্রাণবন্ত বর্ণনা গল্পগুলোকে করেছে হৃদয়গ্রাহী ও পাঠযোগ্য।
.png)
লেখক মোফরাদ হোসেন বলেন, সুন্দরবন আমার লেখার প্রাণ। শিশুদের কাছে গল্পের মাধ্যমে এই অদ্ভুত জঙ্গল, তার প্রাণি এবং মানুষের সম্পর্ক তুলে ধরতে চেয়েছি। গোকুল দাদুর গল্পগুলো আনন্দ দেবে, ভাবাবে এবং প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শেখাবে।
বইটি পাওয়া যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা–এর শিশু চত্বর, স্টল নং ১৮–এ দোলন প্রকাশনার স্টলে। শিশুতোষ সাহিত্যে এটি একটি নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন হিসেবে ইতোমধ্যেই পাঠকমহলে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।