একই সঙ্গে সম্মেলনে সফল অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ সনদ। গত ১০ থেকে ১২ জুলাই মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন (এপিইউ)-এ অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৪ দেশের ৩৫০-এর বেশি তরুণ প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, গবেষক ও বিভিন্ন পেশাজীবী অংশ নেন।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), নেতৃত্ব বিকাশ, উদ্ভাবন, নীতিনির্ধারণ এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের ধারণা, পরিকল্পনা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে জয় দাস তার দলের ষষ্ঠ বক্তা হিসেবে ‘এক্সপেক্টেড ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড কনক্লুশন’ পর্বে ‘প্রজেক্ট পিউরস্টেপ’ শীর্ষক প্রকল্প উপস্থাপন করেন।
.png)
উপস্থাপনায় শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে তোলা, প্রকল্পটির সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবং বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। প্রকল্পটি জাতিসংঘের এসডিজি-৩ (সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ), এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা) এবং এসডিজি-১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের নেতৃত্বের দক্ষতা, বিশ্লেষণী সক্ষমতা, উপস্থাপনার মান ও উদ্ভাবনী চিন্তার মূল্যায়ন করেন মালয়েশিয়ার অধ্যাপক ফারাহ হানিফ, ভারতের ড. সারভিন্দার কৌর সান্ধু, আলবেনিয়ার অধ্যাপক ফাতমির শেহু এবং বাংলাদেশের ড. নাজমুস সায়াদাত।
তাদের মূল্যায়নে গঠনমূলক অংশগ্রহণ, কার্যকর নেতৃত্ব এবং মানসম্মত উপস্থাপনার জন্য জয় দাস ‘কনফিডেন্স স্পার্ক অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন। সম্মেলনের অন্যতম আয়োজক ছিলেন বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্ব ফাতিহা আয়াত। জাতিসংঘ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও টেডএক্সের বক্তা হিসেবে পরিচিত ফাতিহা তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে কাজ করে আসছেন।
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বাসিন্দা জয় দাস ‘লার্ন উইথ জয়’-এর প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে তিনি লিডিং ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে অধ্যয়নরত। গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ইংরেজি ভাষা ও আইইএলটিএস প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন।