ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

অব্যাহতি আবেদন খারিজ, বিচারের মুখোমুখি আশফাকুল হক দম্পতি

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:৩৮, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অব্যাহতি আবেদন খারিজ, বিচারের মুখোমুখি আশফাকুল হক দম্পতি
সংগৃহীত ছবি

গৃহকর্মী প্রীতি উরাংয়ের অবহেলাজনিত মৃত্যুর মামলায় সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর হোসেনের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন।

Advertisement

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আগামী ৪ জানুয়ারি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

অভিযোগ গঠনের শুনানির সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী চৈতন্য চন্দ্র হালদার ও ওমর ফারুক আসিফ অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কাছে তারা নিজেদের দোষী নাকি নির্দোষ—তা জানতে চান। জবাবে আশফাকুল হক ও তানিয়া খন্দকার নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। পরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা-বাগানের বাসিন্দা ছিলেন প্রীতি উরাং।

ঘটনার আগে প্রায় দুই বছর ধরে তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বহুতল ভবনের অষ্টম তলায় আশফাকুল হকের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে ওই বাসার ড্রইং স্পেসের একটি জানালা দিয়ে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন প্রীতি। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, জানালাটিতে নিরাপত্তাবেষ্টনী না থাকায় কাচের ফাঁক দিয়ে তিনি নিচে পড়ে যান।

পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রীতি উরাংয়ের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার বাবা লোকেশ উরাং বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম মাহমুদ রেজা গত ৩১ মার্চ আশফাকুল হক ও তানিয়া খন্দকারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় গত ১৬ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত থেকে এটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

এ মামলায় দুই আসামি প্রায় চার মাস কারাগারে ছিলেন। পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর ২০২৪ সালের জুনে তারা কারামুক্ত হন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এ আর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!