ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজনীতি ]

জামায়াতের লংমার্চে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট বাড়ছে: রাশেদ খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:২৭, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামায়াতের লংমার্চে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট বাড়ছে: রাশেদ খান
সংগৃহীত ছবি

জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত লংমার্চের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে চরম জনভোগান্তি তৈরি হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় হওয়ায় দেশের সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান।

আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা জানান।

Advertisement

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৯ দলীয় জোটের (যার মধ্যে ইতিমধ্যে ২টি দল জোট ত্যাগ করেছে) এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের কোনো অংশগ্রহণ বা আগ্রহ নেই। বড় অঙ্কের দেশি-বিদেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সত্ত্বেও বিরোধী জোটটি সাধারণ জনগণকে আকর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে বিরোধী নেতাদের মুখে এখন স্পষ্ট হতাশার ছাপ ফুটে উঠেছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের বিষয়ে সাধারণ মানুষ সচেতন দাবি করে তিনি বলেন, বিগত ১৮ থেকে ২০ বছরের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও সমস্যার দায় মাত্র ছয় মাসের একটি সরকারের ওপর চাপানোর অপচেষ্টা পুরোপুরি মূর্খতার সামিল। সরকার ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

বিরোধী দলের ঘোষিত ছয় দফা দাবি নিয়ে জনগণের কোনো আগ্রহ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সড়ক-মহসড়ক অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে এবং প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেলের অপচয় ঘটানো হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ধমনী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। লংমার্চের নামে যানবাহন বন্ধ রাখায় রাষ্ট্রীয়ভাবে কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পোস্টের শেষ অংশে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জামায়াত সাধারণ জনগণের ওপর এ ধরনের অহেতুক আন্দোলন জোরপূর্বক চাপিয়ে দিয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এ আর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!