ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিতের অভিযোগে মুবিনের ৫ দিনের রিমান্ড

আদালত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫৫, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিতের অভিযোগে মুবিনের ৫ দিনের রিমান্ড
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা এবং রাজধানীর কেআইবি অডিটরিয়ামে বিএনপির আলোচনা সভা বানচালের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় মো. মহিবুল্লাহ মুবিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Advertisement

এর আগে মুবিনকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক মো. আসাদুর রহমান।

রিমান্ডের বিরোধিতা করে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. রবিউল আলম জুয়েলসহ অন্য আইনজীবীরা শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে বক্তব্য দেয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ায় কেআইবি অডিটরিয়ামের সামনে থেকে মুবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় অডিটরিয়ামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা চলছিল। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছিলেন।

পুলিশের অভিযোগ, মুবিন অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা এবং আলোচনা সভা বানচালের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন। পরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের সময় মুবিনের কাছ থেকে একটি ইয়ামাহা এফজেডএস-১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, দুটি পাসপোর্ট, দুটি অপো মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মুবিনের সঙ্গে থাকা পলাতক সহযোগীদের পরিচয়, নাম-ঠিকানা ও অবস্থান শনাক্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি কার নির্দেশে বা প্ররোচনায় ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এবং ঘটনার আগে ও পরে কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

এ ছাড়া জব্দ করা দুটি পাসপোর্টের মালিকানা ও ব্যবহারের কারণ, মোটরসাইকেলটি কোথা থেকে ঘটনাস্থলে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও তদন্তের স্বার্থে যাচাই করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এ আর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!