সোমবার সিআইডি সদর দফতর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হয়েল- সৈয়দ আবেদ আলী, তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, পিএসসির উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম, নোমান সিদ্দিকী, মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন, সায়েম হোসেন ও লিটন সরকার।
.png)
সিআইডি জানায়, পিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই পরস্পর যোগসাজশে প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে অর্থ লোপাটে মেতে উঠতেন তারা।
প্রশ্নফাঁস নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পিএসসির চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করে সিআইডি।
সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে পিএসসি চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক ও মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বাসিন্দা আবেদ আলী কোটি কোটি টাকার সম্পদের তথ্য। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য সামনে আসার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিপুল সম্পদের তথ্য তুলে ধরছেন নেটিজেনরা। ঢাকার ভেতর তার দুটি বহুতল ভবন, মাদারীপুরে আলিশান বাড়ির তথ্যও সামনে এসেছে।
জানা গেছে, আবেদ আলী সমাজের বিত্তবান ও প্রভাবশালীদের সঙ্গে নিয়মিত চলাফেরা করতেন। প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গেও ছিল তার নিয়মিত ওঠা-বসা। আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম ডাসার উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। তিনিও বিলাসী জীবনযাপন করতেন।