১৪৪৪ হিজরির শেষ জুমা আজ। মুসলিম উম্মাহর কাছে এটি একটি পবিত্র দিন। রমজান মাসের একেকটি জুমা অন্যান্য মাসের ৭০টি জুমার সমতুল্য। সুতরাং একেকটি জুমা পূর্বের জুমা থেকে বেশি ফজিলত ও বরকতপূর্ণ। আর শেষ জুমা তো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পূর্ণতাদানকারী। তাই রমজানের শেষ জুমা ‘জুমাতুল বিদা’ বা বিদায়ী জুমা বলা হয়।
মুসলিম উম্মাহর কাছে জুমাতুল বিদার গুরুত্ব অনেক। রমজান মাস সীমাহীন ফজিলতের মাস। হাদিসে আছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয় (বুখারি, মুসলিম) তাই সারা বছরের মধ্যে মুমিনের কাছে রমজান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
.png)
মুসলিম উম্মাহর জন্য মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলার শ্রেষ্ঠ উপহার মাহে রমজান। মাহে রমজানের শেষ জুমার দিনটি আমাদের কাছে জুমাতুল বিদা নামে পরিচিত। রমজান আর জুমা একত্রে মিলিত হয়ে দিনটির গুরুত্ব ও মহিমা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। তাই জুমাতুল বিদা প্রত্যেক মুমিন মুসলিম বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করেন।
শরিয়তে জুমার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা আবশ্যক। একাকী পড়ার বিধান নেই। রমজান মাসের সর্বোত্তম দিবস হলো জুমাতুল বিদা, যা মাহে রমজানে পরিসমাপ্তিসূচক শেষ শুক্রবারে পালিত হয়। এদিন মুমিন মুসলমানদের ইমানি সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়।
এদিনে এমন একটি সময় আছে যে সময় মুমিন বান্দার মোনাজাত ও ইবাদত আল্লাহ তাআলা অবশ্যই কবুল করেন। এ সময়টি হলো দ্বিতীয় খুতবার আজানের সময় থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত।
জুমার দিনের শ্রেষ্ঠত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে জুমাবার সর্বাধিক মর্যাদাবান ও নেতৃত্বস্থানীয় দিন।
উল্লেখ্য, রমজান মাসের শেষ জুমার দিন অনেকের জীবনে নাও আসতে পারে। হয়তো এটিই কারো জীবনে শেষ রমজান। সে ক্ষেত্রে আজকের জুমার দিনই তার জন্য রমজান মাসের জুমাতুল বিদা।