হিজরি ১৪৪৮ সনের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে রমজান মাস শুরু হতে পারে এবং মার্চ মাসের প্রথমার্ধে উদযাপিত হতে পারে ঈদুল ফিতর। শাবান মাসের শেষ দিকে, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ শাবান সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের কয়েকটি অঞ্চল থেকে চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না। কারণ, ওই দিন চাঁদ সূর্যের আগে অস্ত যেতে পারে অথবা সূর্যাস্তের পর চাঁদের সঙ্গে সূর্যের সংযোগ ঘটতে পারে। এ কারণে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
.png)
তবে বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার সময় ও পদ্ধতির পার্থক্যের কারণে রমজান শুরুর তারিখ এক দিন এদিক-সেদিক হতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ঘোষণার পরই চূড়ান্ত তারিখ নিশ্চিত হবে।
হিজরি শাওয়াল মাসের প্রথম দিন পালিত হয় ঈদুল ফিতর। তাই রমজান ২৯ নাকি ৩০ দিনে শেষ হবে, তার ওপর নির্ভর করবে ঈদের তারিখ। জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের হিসাবে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৮ মার্চ, সোমবার অথবা ৯ মার্চ, মঙ্গলবার শাওয়ালের চাঁদ দেখা যেতে পারে।
যদি ৮ মার্চ, অর্থাৎ রমজানের ২৯তম দিন সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ৯ মার্চ, মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আর সেদিন চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং ১০ মার্চ, বুধবার ঈদুল ফিতর হতে পারে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশে রমজান ও ঈদুল ফিতর শুরু হয়। সে অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হলে বাংলাদেশে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে রোজা শুরু হতে পারে। একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যে ৯ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হলে বাংলাদেশে ১০ মার্চ ২০২৭ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে সর্বাবস্থায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির প্রত্যক্ষ চাঁদ দেখার ঘোষণার পরই চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।