ফার্মের ১৫০ জন শ্রমিকের ১৯ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বেতন পরিশোধ করে দেয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাকিব আল হাসানের কাঁকড়া খামার প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক ক্রিকেটার সগীর হোসেন পাভেল, জেনারেল ম্যানেজার সালাউদ্দিন, সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিশনের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব মুশফিকুর রহমান মিল্টন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্সসহ ফার্মের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
.png)
এ বিষয়ে সাকিব আল হাসানের কাঁকড়া খামার প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক ক্রিকেটার সগীর হোসেন পাভেল বলেন, ভালো লাগছে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করে দিতে পেরে। আমাদের টার্গেট ছিলো ৩০ তারিখের মধ্যে বেতন শোধ করার। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেলে শ্রমিকদের বেতন দেরিতে দেয়ার জন্য আমরা ক্ষমা চাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, এসব শ্রমিককে নিয়ে বিগত চার বছর ধরে কাজ করছি। বেতন নিয়ে কখন কোন সমস্যা হয়নি। করোনার কারণে একটু দেরি হয়ে গেল। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শ্রমিককে নিয়ে আমরা আবারো কাজ করবো।
সাকিব আল হাসানের হ্যাচারির নারী শ্রমিক মনোয়ারা বলেন, করোনার কারণে খুব কষ্টে দিন পার করছিলাম। বেতন পেয়ে ভালো লাগছে। দুই বছর ধরে সাকিব আল হাসানের হ্যাচারিতে কাজ করছি। এর আগে বেতন নিয়ে কোনও সমস্যা হতে দেখিনি। আমাদের সমস্যায় সাংবাদিক ভাইয়েরা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সেজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ফার্মের জেনারেল ম্যানেজার সালাউদ্দিন বলেন, ফার্মের শ্রমিকদের বেতন সাকিব ভাই ৩০এপ্রিলের মধ্যে পরিশোধ করে দিতে বলেছিলেন। তিনি তার নিজের তহবিল থেকে তাৎক্ষণিক বকেয়া বেতন পরিশোধ করার টাকা দেয়ায় আমরা আর দেরি না করে সকল শ্রমিকদের বেতন দ্রুত পরিশোধ করে দিয়েছি। এসময় ১৫০ জন শ্রমিকের ১৯ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বেতন দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমারা তিনটা শিপমেন্ট রেডি করছিলাম কিন্তু করোনার কারণে সেগুলো রপ্তানি করতে পারিনি। সে কারণে শ্রমিকদের বেতন দিতে দেরি হয়েছে। এ জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স বলেন, সাকিব আল হাসান এই প্রজেক্টের কর্মকর্তা কিন্তু তিনি প্রজেক্ট দেখাশুনা করেন না। সাকিব দেশের গর্ব। সাতক্ষীরা থেকে তার দুর্নাম ছড়াক সেটা আমরা চাই না। বিষয়টি জেনে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সভাপতিসহ আমরা ছুটে এসেছি। পরে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবোর্চ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা সাকিবের হয়ে শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের টাকার আয়োজন করে দিয়েছেন। সেগুলো আমরা ফার্ম কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তারা সব শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করে দিয়েছেন।