কিন্তু সুপার লিগ থেকে বেরিয়ে আসা নিয়ে এখনো কোনো বিকার নেই এই তিন ক্লাবের। তাই বাধ্য হয়েই তিন ক্লাবের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার পথে হাঁটা শুরু করল উয়েফা।
সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রিয়াল, বার্সা ও জুভেন্টাসের বিরুদ্ধে আইনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উয়েফা।
.png)
উয়েফার বিবৃতিতে বলা হয়, সুপার লিগ নিয়ে উয়েফার নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা কর্মকর্তারা তদন্ত শেষ করেছেন। উয়েফার আইনি কাঠামোর সম্ভাব্য লঙ্ঘনের বিষয়টি মাথায় রেখে রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও বার্সেলোনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত করতে ১২ মে নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা কর্মকর্তাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছিল উয়েফা। সুপার লিগ চালুর ভাবনায় শুরুতে জোট বেঁধেছিল মোট ১২টি ক্লাব। এর মধ্যে ৯টি ক্লাব আগেই এ জোট থেকে বেরিয়ে এসেছে। উয়েফার কাছে জরিমানা গুনে আইনি ঝামেলা এড়িয়েছে ক্লাবগুলো।
চ্যাম্পিয়নস লিগের মতোই নিজেদের মধ্যে সুপার লিগ আয়োজন করতে চেয়েছিল ইউরোপের ডাকসাইটে ১২টি ক্লাব। এতে চ্যাম্পিয়নস লিগ আবেদন হারাত এবং সুপার লিগের নিয়ম নিয়েও প্রচুর বিতর্ক হয়েছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি ক্লাবগুলোর এ ভাবনাকে চ্যালেঞ্জ করে উয়েফা।
এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে উয়েফার হুমকি-ধমকিতে সুপার লিগের ভাবনা থেকে সরে আসে ৯টি ক্লাব।
বাকি তিন ক্লাব অনড় থাকায় তখনই উয়েফা শাসিয়েছিল, আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে, তা বলা হয়নি।
তবে এএফপি জানিয়েছে, আইনের মধ্যে থেকে ক্লাবগুলোকে ‘বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা থেকে’ বাদ দিতে পারবে তারা। এ ছাড়া ক্লাব পরিচালকদের ক্ষেত্রে ‘ফুটবল- সম্পর্কিত সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ’ করতেও পারে উয়েফা।