শুধু এরিকসেনই নন, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে হঠাৎ করে মাঠে ঢলে পড়া এই ফুটবলারকে বাঁচাতে তাৎক্ষণিক ভূমিকা রাখা চিকিৎসকরাও উয়েফার আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে গত ১২ জুন ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে স্বাগতিকদের ম্যাচ চলাকালীন সময়ে প্রথমার্ধে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন এরিকসেন। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যান দুই দলের খেলোয়াড়রা। হাতের ইশারায় তারা ডাক দেন মেডিকেল স্টাফদের। মাঠেই শুরু হয় চিকিৎসা, দেওয়া হয় সিপিআর। দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসার দেওয়ার পর ২৯ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারকে নেয়া হয় হাসপাতালে।
.png)
হাসপাতাল ছেড়ে কিছুদিন আগে ঘরে ফিরেছেন এরিকসেন। বিভিন্ন সময়ে ফুটবলপ্রেমীদের ‘ভালো থাকার’ বার্তাও পাঠিয়েছেন তিনি। তাতে শঙ্কার মেঘ সরে সবার মনে ফিরেছে স্বস্তি।
ইউরোর ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বুধবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ডেনমার্ক। আগামী রোববার ওয়েম্বলিতে অনুষ্ঠিত হবে ইউরোপ সেরা হওয়ার এবারের আসরের ফাইনাল। এ ম্যাচ উপলক্ষে এরিকসেন, তার স্ত্রী এবং যে ছয় চিকিৎসক মাঠেই তার চিকিৎসা করেছিলেন তাদেরকে ফাইনাল দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে উয়েফা।
অবশ্য এরিকসেন মাঠে আসতে পারবেন কিনা, সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে উয়েফার আমন্ত্রণ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত এরিকসেনকে চিকিৎসা দেওয়া প্যারামেডিক পেদের এরেসগার্ড।
তিনি বলেন, আমি দারুণ শিহরিত, ক্রিসমাসের সময় একটা বাচ্চার যেমন লাগে, আমারও তেমন লাগছে। এরিকসেনের চিকিৎসার ওই সময়ে নিজের এবং পুরো দলের প্রচেষ্টায় আমি গর্বিত। এটা শুধু একজনের প্রচেষ্টা ছিল না। তাকে বাঁচাতে পেরে আমরা আনন্দিত।