সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে রাশফোর্ড লিখেছেন, কোথা থেকে শুরু করব আমি বুঝতে পারছি না। এই মুহূর্তে কী অনুভব করছি আর সেটা কীভাবে শব্দে প্রকাশ করব সেটাও জানি না। আমি মনে করি, একটি কঠিন মৌসুম কাটিয়েছি।
তিনি আরো লেখেন, ফাইনালে আমি একটু কম আত্মবিশ্বাস নিয়েই নেমেছিলাম। আমরা সব সময়ই পেনাল্টির জন্য এভাবে দৌড়াই। কিন্তু এবার কিছু একটা ঠিক ছিল না। দীর্ঘ এই প্রক্রিয়ায় আমি নিজের জন্য একটু সময় বাঁচিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যক্রমে আমি যা চেয়েছিলাম, তা হয়নি।
.png)
এই ফরোয়ার্ড যোগ করেন, আমার মনে হচ্ছে সতীর্থদের হতাশ করেছি, তাদের ডুবিয়েছি। আমি ঘুমের মধ্যেও পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারি। কিন্তু সেদিন কেন পারিনি? শট নেওয়ার পর থেকেই আমার মাথায় এটা ঘুরছে।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি লেখেন, আমার কেমন লাগছে সেটা বোঝানোর কোনো ভাষা নেই। ফাইনাল, ৫৫ বছর, একটা পেনাল্টি, একটা গল্প। আমি শুধু এটুকু বলব, অন্য রকম কিছু হোক, এটাই চেয়েছি। ক্ষমা চাওয়ার মধ্যেই আমি আমার সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।
বর্ণবাদী ইস্যু নিয়ে তিনি লিখেছেন, আমি এমন একটি খেলা খেলি, যেখানে নিজের ব্যাপারে অনেক কিছু পড়ি। আমার গায়ের রং, আমি কীভাবে বড় হয়েছি, কীভাবে আমি মাঠের বাইরে সময় কাটাই- এসব নিয়ে। আমি আমার খেলা নিয়ে সমালোচনা গ্রহণ করি।
এ বিষয়ে রাশফোর্ড যোগ করেন, আমার পারফরম্যান্স হয়তো ভালো হয়নি। আরো ভালো করা উচিত ছিল। কিন্তু আমি যেমন এবং আমার বেড়ে ওঠার বিষয়ে আমি কখনো ক্ষমা চাইব না। আমি আজ যেসব ইতিবাচক বার্তা পেয়েছি এবং উইদিংটনের মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে আপ্লুত। এত চমৎকার সব বার্তার জন্য ধন্যবাদ।