রোববার এমিরেটস স্টেডিয়ামে ২-০ গোলে জিতেছে চেলসি। ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে চলতি মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগে যাত্রা শুরু করেছিল ‘ব্লুজ’ নামে পরিচিত দলটি। লন্ডন ডার্বি দিয়ে হলো লুকাকুর ‘অভিষেক’। এবার পেলেন চেলসির জার্সি গায়ে প্রথম গোলের দেখাও।
প্রথম ম্যাচে একই ব্যবধানে হেরেছিল ব্রেন্টফোর্ডের কাছে, এবার চেলসির কাছে এই হার দলটিকে দিয়েছে বিরল এক বিস্বাদ। লিগের প্রথম দুই ম্যাচে হারের তেতো স্বাদ এ নিয়ে প্রিমিয়ার লিগ যুগে তৃতীয়বারের মতো চেখে দেখল দলটি।
.png)
২২তম মিনিটে নিকোলাস পেপের পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে উঠেছিলেন বুকায়ো সাকা। কিন্তু চেলসি ডিফেন্ডার সেসার আসপিলিকুয়েতার বাঁধা পেরুতে পারেননি আর্সেনালের এই উইঙ্গার। প্রথমার্ধের বাকিটা সময়েও নিজেদের খুঁজে পায়নি ‘গানার’ খ্যাত দলটি।
পরের মিনিটে জেমসের হাত ধরে আবারও আক্রমণে ওঠে চেলসি। কিন্তু বক্সে আড়াআড়ি অবস্থানে থাকা লুকাকুকে বল না বাড়িয়ে জেমস দেন ম্যাসন মাউন্টকে। এই ফরোয়ার্ডের শট প্রতিহত হয় এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে।
আর্সেনালের রক্ষণে চাপ ধরে রেখে ৩৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় চেলসি। মার্কাস আলোনসো থেকে পাওয়া বল মাউন্ট বাড়ান ডান দিকে ফাঁকায় থাকা জেমসকে। দারুণ কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন প্রথম গোলে অবদান রাখা এই ডিফেন্ডার।
ছয় মিনিট পর জেমসের ট্যাকলে বক্সে সাকা পড়ে গেলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করেছিল আর্সেনাল। রেফারির সাড়া মেলেনি। দুই গোলে পিছিয়ে থাকার হতাশা নিয়ে বিরতিতে যায় দলটি।
৫০তম মিনিটে সাকার দূরপাল্লার শট ক্রসবারের উপর দিয়ে বের করে দিয়ে আর্সেনালকে ঘুরে দাঁড়াতে দেননি গোলরক্ষক এদুঁয়া মঁদি। ৬১তম মিনিটে সাকার বদলি নামেন পিয়েরে এমেরিক-অবামেয়াং। কিন্তু দলটির আক্রমণে ফেরেনি চেনা ধার।
গোলরক্ষক বার্নড লেনোর দৃঢ়তায় আর কিছুটা দুর্ভাগ্যের ফেরে ৭৬তম মিনিটে লুকাকু পাননি দ্বিতীয় গোলের দেখা। মাউন্টের ক্রসে বেলজিয়ান স্ট্রাইকারের জোরালো হেড লেনোর গ্লাভস ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়। ৮৬তম মিনিটে ব্যবধান ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন কাই হাভার্টজ।
এদিকে আর্সেনালও শেষ দিকে মরণকামড় দেওয়ার মতো মনোভাবই দেখায়নি। রেগে মেগে সমর্থকরা মাঠ ছাড়েন খেলা শেষের আগেই। ২-০ গোলের জয়ে শেষ হাসিটা হাসে চেলসি।