বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ফাতাহ। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ২ নম্বর রোডে আল্লাহু কেন্দ্রীয় মসজিদে সকাল ১১টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত। এরপর লাশ নিয়ে যাওয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন৷
২০০৫ সালে মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে বাফুফেতে যোগদান করেন ফাতাহ। খুব অল্প দিনে ফাতাহ ক্রীড়াঙ্গন ও গণমাধ্যমে সবার প্রিয় হয়ে ওঠেন৷ ২০১১ সালে বাফুফের সঙ্গে তার সম্পর্কছেদ ঘটে। কয়েক বছর নিজ জেলা কুষ্টিয়াতে যান। সেখানে নারী ফুটবল নিয়ে কাজ করেন।
.png)
২০১৬ সালে আবার বাফুফেতে যোগদান করেন। সেইবার মার্কেটিং ও সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে। তিন বছর এই দায়িত্বে ছিলেন।
২০১৯ সাল থেকে স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টসে যোগ দেন। সেখানে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দেশের শীর্ষ ক্লাব সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন৷
ফুটবলের বাইরে অন্যান্য খেলাধুলা নিয়েও সমান আগ্রহ ছিলো আহমেদ সাঈদ আল ফাতাহর।