ইনজুরি বা ব্যক্তিগত কারণে নয়, অতিরিক্ত ক্রিকেট খেলার বোঝা থেকে কিছুটা চাপ কমাতে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে অ্যান্ডারসনকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
কারন ইংল্যান্ডকে ৪০ দিনের ব্যবধানে অ্যাশেজে পাঁচ টেস্ট খেলতে হবে। আর সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি দিবা-রাত্রির। যা শুরু ১৬ ডিসেম্বর থেকে। অ্যাডিলেডে গোলাপি বলের টেস্টের জন্য অ্যান্ডারসনকে পুরোপুরি প্রস্তুত রাখতে তাকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে।
.png)
ইসিবির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খেলার মত ফিটনেস জিমির আছে। তার কোন ইনজুরি নেই। কিন্তু ছয় সপ্তাহে পাঁচটি টেস্ট খেলতে হবে আমাদের। দ্বিতীয় টেস্ট থেকে তাকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
২০১৯ অ্যাশেজ থেকে শিক্ষা নিতে চাইছে ইংল্যান্ড। সেবার অ্যান্ডারসন প্রথম টেস্টে মাত্র চার ওভার বল করতে পেরেছিলেন। পায়ের ইনজুরির জন্য পরবর্তী পুরো সিরিজ থেকেই ছিটকে যান অ্যান্ডারসন।
২০১০-১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বশেষ অ্যাশেজ জিতেছিল ইংল্যান্ড। সিরিজে ২৬ দশমিক ০৪ গড়ে ২৪টি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৬০টি উইকেট নেয়ার রেকর্ড আছে তার। ২০১৭-১৮ অ্যাশেজ হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। সেবার ২৭ দশমিক ৮২ গড়ে ১৭ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে শীর্ষ বোলার ছিলেন অ্যান্ডারসন।
প্রথম টেস্টে বিশ্রাম পাওয়ায় একটি বিরল রেকর্ড স্পর্শ করা হলো না অ্যান্ডারসনের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোর্টনি ওয়ালশ ও নিউজিল্যান্ডের ড্যানিয়েল ভেট্টোরির পর সফরকারী দলের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ব্রিসবেন পাঁচটি টেস্ট খেলার রেকর্ড গড়তেন অ্যান্ডারসন।
অ্যান্ডারসনের অনুপস্থিতিতে প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের পেস আক্রমন সামলাবেন ক্রিস ওকস ও স্টুয়ার্ট ব্রড।