আজ ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ছোটন বলেন, এই টুর্নামেন্ট শুরুর আগে বলেছিলাম আমাদের লক্ষ্য ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলা। প্রতি ম্যাচে দরকার জয়। দর্শকদের ভালো খেলা উপহার দেওয়া। মেয়েরা ভালো ফুটবল খেলেছে। সঠিকভাবে কাজ করেছে। ফাইনালে উঠেছি। এখন একটা ম্যাচ বাকি। আশা করি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।
তিনি আরো বলেন, মেয়েরা যে ফুটবল খেলে এসেছে, ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলে এসে। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছি। মেয়েরা প্রতি ম্যাচ সাধ্যমত ভালো খেলেছে। ফাইনাল ম্যাচে প্রতিপক্ষ ভারত। জানি শক্তিশালী। বিশ্বাস আছে ভালো করবে। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।
.png)
ভারতকে সহজভাবে নিচ্ছেন না জানিয়ে বাংলাদেশের কোচ বলেন, ভারত অবশ্যই ভালো দল। তবে চার ম্যাচেই ভালো খেলেছে আমাদের মেয়েরা। ফরোয়ার্ডরা গোল পেয়েছে, ডিফেন্সে গোল পেয়েছে। সবার গোল করার আত্মবিশ্বাস জন্মেছে। ফাইনালে ভারত কঠিন প্রতিপক্ষ। আমাদের ফিনিশিংয়ে ভালো করতে হবে।
দলের সবাই আত্মবিশ্বাসী জানিয়ে ছোটন বলেন, আমাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব নেই। বেঞ্চের অনেকের ডেবু হয়েছে। টিমের রিদমে কখনো ভাটা পড়েনি। কিছু প্লেয়ার বিশ্রামে ছিল। যে যখনই মাঠে এসেছে সে ওই জায়গা পূরণ করেছে। এটা ভালো দিক। কাল আশা করবো আরও ভালো খেলবে।
অবশ্য ভারতকে ছোট করে দেখছেন না ছোটন। তিনি বলেন, তবে এখানে কাউকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ভারত প্রতিটি ম্যাচ ভালো খেলে এখানে এসেছে। যদিও জিতেছি। কিন্তু ওরা ভালো প্রতিপক্ষ। এটা ফাইনাল। দুই দল সুযোগ পাবে। আমরা উন্নতি করবো। ক্লিনিকাল ফিনিশ করার চেষ্টা করবো।
শেষে তিনি যোগ করেন, আমরা নেপালের পর ভুটানের সঙ্গে খেলেছি। আমাদের মেয়েদের অভিজ্ঞতা অনেক।এই টুর্নামেন্টে রুপনা ওয়ান অব দ্যা বেস্ট গোলকিপার। ওর দুর্বলতা দেখি না। আমাদের প্রতিটা ম্যাচে সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলেছে। আমি আশা করি সে যে কোনো মুহূর্তে ঘটাতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশের অধিনায়ক মারিয়া মান্দা বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল ম্যাচ বাই ম্যাচ ভালো খেলা। সেভাবে খেলেই জিতেছি। আমরা প্রতিটি ম্যাচেই ভালো খেলা উপহার দিয়েছি। অন্য দল থেকে এগিয়ে থেকেছি। কাল আমাদের ভারতের সঙ্গে ম্যাচ। আশা করি, জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ব।
তিনি আরো বলেন, আগের ম্যাচগুলোতে যা ভুলত্রুটি করেছি সেটা শুধরে ফাইনালে ফাইট করবো। আমাদের পায়ে যেমন বল আসে তেমন করেই শুটিং করি। আর বিকল্প প্লেয়ার সামনে চলে আসায় অনেক সময় শট করতে পারিনা। এ ক্ষেত্রে মাঠের সমস্যা নেই।