এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৭০ রান।
ট্রেন্ট বোল্টের অনেক বাইরে করা বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেটকিপারের কাছে ক্যাচ দেন ৮৬ রান করা লিটন। এর কিছু আগে বোল্টেরই ভেতরে ঢোকা বলের লাইন বুঝতে ভুল করেন মুমিনুল। কিউই পেসারের লেগ বিফোরের আবেদনে আঙুল তুলতে সময় নেননি আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি টাইগার অধিনায়ক। এর আগে করেন ৮৮ রান।
.png)
এর আগে লিটন ও মুমিনুলের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে লিড পেয়েছে সফরকারী বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের করা ৩২৮ রান ছাড়িয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এশিয়ার বাইরে প্রথমবার প্রথম ইনিংসে পরে ব্যাটিং করে লিড পায় টাইগাররা।
তৃতীয় দিনের সকালের সেশন ছিল নিউজিল্যান্ডের। আঁটসাঁট বোলিংয়ে অতিথি ব্যাটসম্যানদের কঠিন পরীক্ষা নেন ওয়াগনার, বোল্ট, সাউদি, জেমিসনরা। বলা যায় রান পেতে বাংলাদেশকে কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে ২৬ ওভারে মাত্র ৪৫ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। ৭০ রানে দিন শুরু করা জয় আর ৮ রান যোগ করতেই ওয়াগনারের বলে আউট হন।
এর কিছু পরে আগের দিনের আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান মুমিনুল টিকে থাকতে কঠিন লড়াই করেন। প্রথম রান নিতে খেলেন ২৯ বল। এরপর ১ রানের ব্যবধানে দুবার জীবন পান।
প্রথমে মুমিনুলের ফিরতি ক্যাচ ছাড়েন জেমিসন। এরপর নো বলে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান। তার সঙ্গী মুশফিকুর রহিমও কঠিন সংগ্রাম করেছেন। তাতে লাভ হয়নি। থিতু হয়ে বোল্টকে উইকেট উপহার দিয়ে ফেরেন সাজঘরে। এর আগে করেন ১২ রান।
তবে এর পর মুমিনুল আর লিটন মিলে গড়েন শক্ত প্রতিরোধ, দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে সুজনে যোগ করেন ৮৭ রান। নিখুঁত ব্যাটিংয়ে দলের স্কোরবোর্ড সচল রাখেন মুমিনুল ও লিটন। কিউইদের কোনো সুযোগই দেননি তারা।
সেই ধারাবাহিকতায় টেস্ট ক্রিকেটের ১৫তম ফিফটি তুলে নেন মুমিনুল। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এটি তার দ্বিতীয় ফিফটি। এর আগে ২০১৭ সালে ওয়েলিংটনে ৬৪ রান করেছিলেন। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ফিফটি পেয়েছেন লিটন। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের এটি ১১তম টেস্ট ফিফটি।