এমনটাই ইএসপিএনক্রিকইনফোকে জানিয়েছেন সিএসএর ডিরেক্টর গ্রায়েম স্মিথ।
স্মিথ বলেন, এটা সত্যি যে, দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সূচী এবং ঘরোয়া প্রতিযোগিতাকে অগ্রাধিকার দিতেই দলের চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের পাকিস্তান সুপার লিগের জন্য এনওসি দেয়া হচ্ছে না। নিউজিল্যান্ড সফর এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজের জন্য, আমাদের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের প্রথমে ও সবকিছুর উর্ধ্বে প্রাধান্য দিচ্ছি। শীঘ্রই শুরু হতে যাওয়া আমাদের ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলির জন্যও একইভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি।
.png)
তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক টি-২০ টুর্নামেন্টের এবং সূচির সঙ্গে কোন সংঘর্ষ না থাকলে অনাপত্তিপত্র দেয়া হবে। যেমনটা অতীতেও সবসময় আমরা করেছি।
কেন্দ্রীয়ভাবে চুক্তিবদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটারদের খেলার জন্য অনুমতি না দেয়ায় গত মাসের পিএসএল ড্রাফটে নেয়া কোন খেলোয়াড়কে সরাসরি প্রভাবিত করবে না।
পিএসএল স্কোয়াডে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার তিনজন- মার্চেন্ট ডি লাঙ্গে, ইমরান তাহির এবং রিলি রুশো কেন্দ্রীয়ভাবে বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নয়।
গত ১৮ ডিসেম্বর পিএসএলের মূল ড্রাফট অনুষ্ঠিত হয়। মিনি ড্রাফটের ৩৬৭ ক্রিকেটারের তালিকায় নাম উঠবে দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক, ডেভিড মিলার, তাবরাইজ শামসিদের মত তারকাদের।
আগামী ২৭ জানুয়ারি শুরু হবে পিএসএলের সপ্তম আসর। ২৭ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে পিএসএলের।