মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৬ রানে ৬টি সহ ম্যাচে ৭ উইকেট শিকার করেন এবাদত। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হওয়া এবাদতের বোলিং নৈপুন্যেই সিরিজের প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট নিউজিল্যান্ডের কাইল জেমিসনের। ৮ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
.png)
বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলামের। ৫ উইকেট তার ঝুলিতে। এরপর আছেন মেহেদি হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক ও তাসকিন আহমেদের। মিরাজ ৪টি, মুমিনুল-তাসকিন ৩টি করে উইকেট নেন।
এদিকে এই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটার ইয়াসির আলী রাব্বির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণে শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেস বোলার কাইল জেমিসন।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জেমিসনকে এই শাস্তি দিয়েছে। শাস্তি হিসেবে তার ম্যাচ ফি’র ১৫ শতাংশ কেটে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই পেসারের নামের পাশে যোগ করা হয়েছে আরো একটি ডিমেরিট পয়েন্ট।
আরো একটি বলার কারণ, গত ২৪ মাসে এ নিয়ে তৃতীয়বার এমন অপরাধ করলেন জেমিসন এবং তিনবারই তার নামের সঙ্গে একটি করে মোট তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হলো।
ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টেস্টে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করা জেফ ক্রো এই শাস্তির কথা ঘোষণা করেন। জেমিসন শাস্তি মেনে নেয়ার পর শুনানির কোনো প্রয়োজন হয়নি।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সময় এই খাআপ ব্যবহারের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন জেমিসন। বাংলাদেশ দলের হয়ে প্রথম ইনিংসে বেশ ভালো ব্যাটিং করেছিলেন ইয়াসির আলী রাব্বি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেছিলেন তিনি। ৪১তম ওভারে বল করছিলেন কাইল জেমিসন। তার ওভারের ৪র্থ বলে আউট হয়ে যান ইয়াসির।
বাংলাদেশের এই ব্যাটারের উইকেট নিয়েই তার দিকে বেশ বাজে ভঙ্গি করার পাশাপাশি বাজে মন্তব্য করেন জেমিসন। এ বিষয়টাই ফিল্ড আম্পায়ারের রিপোর্টে উঠে আসে এবং পরবর্তীতে ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো এটাকে আইসিসির খেলোয়াড় আচরণবিধির আর্টিকেল ২.৫ এর লঙ্ঘণ বলে চিহ্নিত করেন।
এর আগে গত ২৪ মাসে জেমিসন যে দু’বার অপরাধ করেছিলেন, তার একটি বাংলাদেশের বিপক্ষেই। ২০২১ সালের ২৩ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে ওয়ানডেতে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের বিপক্ষে এ ধরনের অপরাধ করে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিলেন।
তারও আগে ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাওরাঙ্গা ওভালে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলোয়াড় আচরণবিধির লঙ্ঘণ করে নিজের নামের পাশে ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত করে নেন।