শনিবার সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে জোড়া আঘাতে আমিরাতের দুই ওপেনারকে শিকার করেন আশিকুর জামান। এরপর তৃতীয় উইকেটে ধ্রুব পারাশার ও আলিশান শরাফুর ৪৪ রানের জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান হাসান।
চতুর্থ উইকেটে আরো ২৯ রান যোগ করে অধিনায়ক রাকিবুল হাসানের শিকার হন ধ্রুব। আলিশান ৬৩ বলে ২৩ রান ও ধ্রুব ৮২ বলে ৩৩ রান করেন। আরব আমিরাতের ইনিংসের বাকিটুকু একাই টেনে নিয়ে যান পূণ্য মেহরা। তিনি করেন ৬৪ বলে ৪৩ রান। তবে তাকে কেউই যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি।
.png)
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা আরব আমিরাত অল আউট হয় ১৪৮ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে রিপন মন্ডল তিনটি, আশিক ও সাকিব দুইটি এবং রাকিবুল ও আরিফুল ইসলাম একটি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময় বৃষ্টি নামে। বৃষ্টি আইনে জুনিয়র টাইগারদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ৩৫ ওভারে ১০৭ রান। ২৫ ওভারেই সেই লক্ষ্য টপকে যায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন ও ইফতেখার হোসেন ইফতি গড়েন ৮৬ রানের জুটি। দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে ইফতি ফেরেন ৭০ বলে ৩৭ রান করে।
প্রান্তিক নওরোজ নাবিলকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন রবিন। নাবিল ১০ বলে ৫ রানে অপরাজিত থাকেন। রবিন ৬৯ বলে ৬৪ রানের এক নান্দনিক ইনিংস খেলেন। ম্যাচসেরা ক্রিকেটারও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কা।
৯ উইকেটের এই জয়ে গ্রুপ রানারআপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের যুবাদের প্রতিপক্ষে ভারত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত অনূর্ধ্ব ১৯ দল: ১৪৮/১০ (৪৮.১ ওভার)
পূণ্য ৪৩, ধ্রুব ৩৩, আলিশান ২৩;
রিপন ৩/৩১, আশিক ২/১৪, সাকিব ২/৩২।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল: ১১০/১ (২৪.৫ ওভার)
রবিন ৬৪*, ইফতি ৩৭, নাবিল ৫*
যশ ১/১৭।
ফল: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল ৯ উইকেটে জয়ী।