চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ(বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শেষ হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি। পূর্ব সূচি অনুযায়ী বিপিএল শেষ হওয়ার এক দিন পর অর্থাৎ ১৯ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তান দলের বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে সিরিজ শুরুর কিছুদিন আগে বাংলাদেশে অনুশীলন ক্যাম্প করতে চায় সফরকারীরা।
এখানে অনুশীলনের অনুরোধ জানিয়ে এরমধ্যে বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠিও দিয়েছে আফগানস্তিান ক্রিকেট বোর্ড(এসিবি)। বিসিবিও তাতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।
.png)
নতুন সুচি অনুযায়ী আফগানিস্তান দল ১২ ফ্রেব্রুয়ারি ঢাকা পৌঁছানোর পরই সিলেট চলে যাবে।
কয়েকদিন আগেই তিন ম্যাচের ওয়ানেড সিরিজে নেদারল্যান্ডসকে হোয়াইওয়াশ করেছে আফগানিস্তান। তবে আফগান জাতীয় দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই বর্তমানে বিপিএল এবং পিএসএল খেলছে। যাদের মধ্যে রয়েছে রশিদ খান, রহমানউল্লা গুরবাজ, মুজি উর রহান, নজিবুল্লাহ জারদান, কায়েস আহমেদ।
বিসিবি'র সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, আফগানিস্তান এখানে একটি অনুশীলন ক্যাম্পের ব্যবস্থা করার জন্য আমাদের কাছে অনুরোধ করেছে। আমরা তাদের অনুরোধ রেখেছি। আমরা তাদের ক্যাম্পটি সিলেটে আয়োজনের পরিকল্পনা করেছি। ভালোভাবে নিজেদের প্রস্তুত করার জন্য তারা ৪/৫ দিন আগে এখানে আসবে। সূচি অনুযায়ী তারা ১২ ফেব্রুয়ারি এখানে আসবে বলে ধারণা করছি।
আন্তর্জাতিক মান বজায়ে রেখে আফগানিস্তান দলকে বায়ো-বাবল ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে উল্লেখ করেন বিসিবি প্রধান নির্বাহি।
তিনি আরো বলেন, এছাড়া তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম নীতি মেনে চলতে হবে। তাদের চলাফেরা সীমিত থাকবে।
বিসিবি মূলত সিরিজটি সিলেট ও চট্টগ্রামে আয়োজন করতে চেয়েছিল। তবে যেহেতু তাদেরকে সিলেটে ক্যাম্প করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাই ঢাকা ও চট্টগ্রামে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
বিপিএলের ন্যায় আফগানিস্তান সিরিজও দর্শক শুন্য মাঠে আয়োজন করতে চায় বিসিবি। তবে সিরিজ শুরুর আগে কোভিড-১৯ পরিস্তিতি দেখে সরকারের কাছে নতুন করে নির্দেশনা চাইবে।
ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম(ডিআরএস) সম্পর্কেও সু-সংবাদ দেন বিসিবি সিইও। তিনি জানান, আফগান সিরিজে ডিআরএস থাকবে। কেবল আফগান সিরিজই নয়, বিপিএলে ঢাকার শেষ পর্বেও ডিআরএস ব্যবহার করা হবে।
কোভিডের কারণে বিপিএলে ডিআরএস টেকনিশিয়ানদের আনতে পারেনি বিসিব। চট্ট্রগ্রামে এডিআরএস ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সিলেটেও ব্যবহার করা হবে।