রোববার সিলেটে নিজ দল কুমিল্লার ভিক্টোরিয়ান্সের অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমকে মঈন বলেন, আমি কিছু সিলেটি শব্দ জানি। আরো কিছু জানতে পারলে খুশি হতাম। আশা করছি নতুন কিছু শব্দ শিখতে পারব। হোটলে যারা আছে তারা আমার সঙ্গে সিলেটি ভাষায় কথা বলে। এজন্য আমাকে চেষ্টা করে শিখতে হবে।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এ ইংলিশ বলেন, বাংলাদেশ আমার বাড়ি, পাকিস্তান আমার বাড়ি। ইংল্যান্ড বাড়ি। জায়গাগুলো আমার কাছে একই। আমার শ্বশুর এখানে আছেন। তাদের প্রতি আর সিলেটের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। তারা সব সময় বলে, চলো সিলেটে যাই। কিন্তু কোনোভাবেই পারি না। এখন এখানে আসতে পেরে ভালো লাগছে। আমি খুব খুশি।
.png)
মঈনের স্ত্রী ফিরোজা হোসেনের জন্ম-বেড়ে ওঠা দুটিই ইংল্যান্ডে হলেও তার বাপের বাড়ি সিলেটে। এক সময় সিলেট শহরের পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ফিরোজার বাবা এম হোসেন ও তার স্ত্রী। এরপর সপরিবারে ইংল্যান্ডে থিতু হন। সেখানেই জন্ম ফিরোজার। মঈন বাংলাদেশে আসায় ফিরোজাও দেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন।
মঈন বলেন, আমার স্ত্রী এখানে এসেছে। তার বোন, জামাইসহ সবাই ঢাকায়, দুইদিনের মধ্যে সিলেটে আসছে।