তারা অনেকেই মনে করেন, বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলায় পদত্যাগ করতে হয়েছে ল্যাঙ্গারকে। তবে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার মিচেল জনসন মনে করেন, ল্যাঙ্গারের পদত্যাগের কামিন্সের দায় আছে। যে কারণেই কামিন্সের সমালোচনা করেছেন জনসন।
জনসনের মতে, ল্যাঙ্গারকে সমর্থন করেননি কামিন্স। ল্যাঙ্গারের চুক্তি মেয়াদ বাড়াতে ভূমিকা রাখা দরকার ছিলো কামিন্সের। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে প্রথম পরীক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ কামিন্স। এতে হতাশা নিয়েই পদত্যাগ করতে হয়েছে ল্যাঙ্গারকে।
.png)
দ্য ওয়েস্ট অস্ট্রেলিয়ান পত্রিকায় নিজের লেখা কলামে জনসন লিখেন, ‘অ্যাশেজে বল হাতে কামিন্স ভালো করলেও, অধিনায়ক হিসেবে প্রথম পরীক্ষায় পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ হয়েছে কামিন্স’।
ল্যাঙ্গারের চুক্তি বাড়ানোর পেছনে ভূমিকা রাখার সুযোগ ছিলো কামিন্সের। কিন্ত সেই সুযোগ হেলায় হারিয়েছেন তিনি। কারন কামিন্স এটি চায়নি। জনসন লিখেন, ‘ল্যাঙ্গারের চুক্তি বাড়ানোর পেছনে ভূমিকা রাখার সুযোগ ছিল কামিন্সের। সুযোগটি সে কাজে লাগায়নি। কামিন্স এটি চায়নি’।
জনসনের মতে,কামিন্স নিজের মত কোচ চেয়েছিলেন বলেই ল্যাঙ্গারের চুক্তি বাড়ানোর বিষয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাননি। জনসন লিখেন, ‘কামিন্সের অনেক ক্ষমতা রয়েছে এবং যা ঘটেছে সেগুলো তার আয়ত্বে থাকতে হবে। তার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারগুলি দেখলেই বুঝা যায়- কোচের প্রতি তার কোন শ্রদ্ধাবোধ ছিলো না’।
ল্যাঙ্গারের সঙ্গে আগামী জুন পর্যন্ত চুক্তি ছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ)। চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে ল্যাঙ্গারের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল সিএ। ল্যাঙ্গারের ইচ্ছা ছিলো, দীর্ঘমেয়াদে চুক্তি নবায়ন করা। কিন্তু ল্যাঙ্গারের কাছে আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে দেশের মাঠে টি-২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত মেয়াদ নবায়নের প্রস্তাব দিয়েছিলো সিএ। তবে স্বল্প মেয়াদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে কোচের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন ল্যাঙ্গার।
২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপ টাউন টেস্টে বল বিকৃতির ঘটনায় টালমাটাল হয়ে পড়েছিলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট। ঐ সময় কোচ ড্যারেন লেহম্যানকে এবং অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে সরিয়ে দেয় সিএ।
এ অবস্থায় দলের কোচের দায়িত্ব নেন ল্যাঙ্গার। কোচ হিসেবে সর্বশেষ টি-২০ বিশ্বকাপ ও সদ্য অ্যাশেজ জয়, ল্যাঙ্গারের কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য।