সিডন্সকে নিয়ে চিন্তিত নন ডমিঙ্গো
জেমি সিডন্স ফিরে এলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্বে থাকার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বর্তমান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। অবশ্য অনেকেরই ধারণা, যেকোনো মুহুর্তে ডমিঙ্গোর পরিবর্তিত হিসেবে দায়িত্বে ফিরতে পারেন সিডন্স।
সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিডন্স। অ্যাশওয়েল প্রিন্সের পদত্যাগের ফলে ওই পদটি খালি হয়েছিল। শুরুতে অবশ্য সুনির্দিষ্ট কোন দায়িত্ব না দিয়েই সিডন্সকে নিয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কথা ছিল জাতীয় ও বয়স ভিত্তিক দলের ব্যাটিং বিভাগ দেখভাল করবেন তিনি।
প্রিন্সের আকস্মিক পদত্যাগের পর ডমিঙ্গোরও পদত্যাগের সম্ভাবনা রয়েছে বলে গুজব ওঠে। কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজকে সামনে রেখে তিনি বাংলাদেশে আসেন এবং যথারীতি অনুশীলন শুরু করেন।
.png)
টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের চরম ব্যর্থতার রেশ ধরে ডমিঙ্গোর ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকার সৃষ্টি হয়। তবে গুজব উঠলেও বরখাস্ত হননি তিনি। পরে নিউজিল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে গিয়ে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় করে বাংলাদেশ। এতেই দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিরাপদ অবস্থানে চলে যান তিনি। তারপরও তাকে নিয়ে কথা ওঠায় কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন ডমিঙ্গো।
চট্টগ্রামে আজ তিনি বলেন, কোচ হিসেবে আমার থাকা না থাকার বিষয়ে আপনাদের উচিৎ বিসিবিকে প্রশ্ন করা। আমার যদি সে বিশ্বাস না থাকতো তাহলে একটা জাতীয় দলের কোচিংয়ে থাকতাম না।
গণমাধ্যম বা জনগণ যাই বলুক না কেন, নিজের বিষয়ে আমি কটু মন্তব্য করতে চাই না। তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। আমার ও দলের কাছে আপনাদের চাওয়া পাওয়া কি আছে সেটি নিয়ে আপনারা লিখতে পারেন। খেলোয়াড়দেরকে এই সব গুঞ্জন থেকে দুরে রাখাটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর দ্বারা যদি আমি ক্ষতিগ্রস্ত হই, তাহলে এটি ভাবার কারণ নেই যে খেলোয়াড়রা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
ডমিঙ্গো বলেন, বেশিরভাগ সময় আপনাদের লেখা আমি বুঝতে পারি না। সুতরাং এটি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
এদিকে সিডন্সকে বিসিবি ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। ডমিঙ্গো বলেন, তিনি (সিডন্স) একজন অভিজ্ঞ কোচ। বিশ্বের প্রায় সবখানে কাজ করেছেন। তিনি জানেন কিভাবে কোচিং করাতে হয়। সম্ভবত এই খেলোয়াড়দের বিষয়ে আমার চেয়েও বেশি জানেন তিনি। কারণ আগেও তিনি এখানে ছিলেন। তাকে সঙ্গী হিসেবে পেয়ে ভালো হয়েছে। আমাদের কোচিং স্টাফদের জন্যও প্রচুর অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে এসেছেন তিনি।