সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো চলতি মাসের জুলাইয়ে আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ পাবে ইউক্রেন। কিন্তু রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ক্রিকেটের ভবিষ্যৎটাই এখন শঙ্কার মুখে দাঁড়িয়ে। এমনকি নিজের জীবন নিয়ে আতঙ্কে আছেন ওলিভিয়েরও।
ইউক্রেন ক্রিকেট ফেডারেশনের সিইও বিস্ফারণ থেকে রক্ষা পেতে গদি দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন ঘরের জানালাগুলো। ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে স্বস্তি পেতে বেছে নিয়েছেন ক্রিকেটকে। দক্ষিণ আফ্রিকায় ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি ১৪ বছর কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।
.png)
চার বছর আগে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের এক প্রাইভেট স্কুলের প্রিন্সিপালের দায়িত্ব নেন ওলিভিয়ের। সেখানেই ক্রিকেটের বীজ বোনেন তিনি। যদিও ইউক্রেনের হয়ে ক্রিকেট খেলে যাচ্ছেন মূলত মেডিক্যালে পড়াশুনা করতে আসা ভারতীয় শিক্ষার্থীরা। তবে ইউক্রেনের শিশু ও যুবকদের মনে ইতিমধ্যেই ক্রিকেটের আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন ওলিভিয়ের।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট সত্যিই যুবকদের নজর কেড়েছে, কারণ তারা নতুন কিছু চেষ্টা করতে চায়। বিশেষ করে মেয়েরা খেলাটিকে দ্রুত এগিয়ে নিয়েছে। আমি সর্বোচ্চ আশাই করতে পারি। আর কিছু করার নেই।’
ওলিভিয়েরের মূল চিন্তা খারকিভ নিয়ে। যা ইউক্রেনের দ্বিতীয় বড় শহর। সেখানেই ক্রিকেটের হেডকোয়ার্টার্স বানানোর পরিকল্পনা আছে ওলিভিয়েরের। কিন্তু শহরটি রাশিয়ান সামরিক বাহিনীর মূল লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি যাই হোক ক্রিকেট ছেড়ে যাবেন না বলে জানিয়েছেন ওলিভিয়ের।