একই দলের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে নিজের ব্যাটিং ধরন নিয়ে সামালোচিত হবার পর এমন মন্তব্য করলেন রিয়াদ। সিরিজটি স্বাগতিকরা ২-১ ব্যবধানে জিতে নিলেও তিন ম্যাচে রিয়াদের ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৪৩রান। শুধু তাই নয়, ওই তিন ম্যাচে ৭৯ বলের মোকাবেলায় একটি মাত্র বাউন্ডারির দেখা পেয়েছেন।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল যখন গভীর সংকটে, তখন মাত্র ৮ রান করে সাজঘরে ফিরেন রিয়াদ। দ্বিতীয় ম্যাচে যখন মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন ছিল তখনো ৭ বলে অপরাজিত ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। তৃতীয় ম্যাচে ৫৩ বলে অপরাজিত ২৯ রান করেন তিনি। ওই সময় দলের প্রয়োজনে মারমুখি ব্যাটিংয়ের চাহিদা থাকলেও একটি বাউন্ডারীও হাকাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের পরাজয়ের কারণগুলোর একটি ছিল রিয়াদের এমন ব্যাটিং দৈন্যতাও।
.png)
সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে এমন ধীরগতির ব্যাটিংয়ের পর থেকে টি-২০ অধিনায়ক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এমন ব্যাটিংয়ের কারণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রিয়াদ বলেছেন, প্রথম বল থেকেই আমি আক্রমনাত্মক ব্যাটিং শুরু করব। চেস্টা করব চার ও ছয় হাকাতে।
পাওয়ার প্লেতে আরো আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের বিষয়েও জোর দিয়েছেন রিয়াদ। কারণ প্রথম পাওয়ারপ্লের সুযোগ কাজে না লাগানোয় প্রায়ই বাংলাদেশ দল নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এই কারণেই অধিকাংশ ম্যাচে পরাজিত হতে হয়েছে টাইগারদের। আসন্ন ম্যাচে প্রথম পাওয়ার প্লে থেকে অন্তত ৪০/৪৫ রান সংগ্রহ করতে চান রিয়াদ।
তিনি বলেন, আশা করছি আমরা এই ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারব। যেভাবে দল সাজানো হয়েছে তাতে আমরা পাওয়ার প্লে থেকে ৪০/৪৫ রান করতে পারব। সেটি করতে পারলে আমরা সঠিক পথে এগুতে পারব।
টাইগার অধিনায়ক বলেন, সম্ভবত আমরা কোন ম্যাচেই উড়ন্ত সুচনা করতে পারছি না। তবে আমরা যদি সেটি করতে পারি তাহলে দারুন হবে। আমাদের যে ব্যাটিং সামর্থ্য রয়েছে তাতে নিয়মিতভাবেই ১৫০-১৬০ রান করা সম্ভব। তাহলে যে কোন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ম্যাচ জয়ের সুযোগ থাকে। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। আশা করি আমরা উপায় খুঁজে বের করতে পারব।