ব্যবসায় নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের উজ্জ্বল তারকা সাকিব আল হাসান। এই খবর বেশ পুরানোই বটে। তবে আজ সোনা ব্যবসার উদ্বোধন করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের এ গোল্ডেন বয়।
বনানীতে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে নিজের সোনার কোম্পানি এবং এর প্রোডাক্ট উন্মোচন করেছেন সাকিব এবং তার অংশীদারীরা। রিলায়েবল কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের অধীনে কিউরিয়াসের (QRIUS) আউটলেটে নিজেদের সোনার বার এবং অন্যান্য প্রোডাক্ট আনতে যাচ্ছে কোম্পানিটি।
.png)
সাকিবের কোম্পানি উদ্যোগ নিয়েছে, সবাই যাতে চাইলে সোনা কিনতে পারে। তারা সবার জন্য ১ গ্রাম থেকে শুরু করে ১০০ গ্রামের সোনা কেনার সুযোগ রাখছে। যার ফলে কেউ চাইলে সাড়ে ছয় হাজারের কিছু বেশি টাকা দিয়ে স্বর্ণ কিনতে পারবেন।
এদিন নিজেদের প্রোডাক্ট উন্মোচনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে অংশ নেন সাকিব। জানান, ২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো সোনার বারের সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন তিনি।
সাকিব বলেন, ‘২০০৬ এর মে-জুনে (আসলে জুলাই) জিম্বাবুয়ে সফরে যাচ্ছিলাম। তার আগে শারজাহতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে সেখানে যাই। তখন শারজাহর সিটি সেন্টারে যাই। সেখানে প্রথম গোল্ড বার দেখি। নিজে গোল্ডবার না কিনলেও গিফট পেয়েছি।’
এদিন সাকিবের কাছে জানতে চাওয়া হয়, মানুষ কেন সোনা কিনবে এবং তার কোম্পানি থেকেই? এর উত্তরে সাকিব বলেন, ‘শেষ ১০০ বছরের রেকর্ড দেখেন, অন্য কিছুর দাম কমলেও সোনার দাম কমেনি। তাই টাকার নিরাপত্তার জন্য সোনা কিনতে পারে। আবার গিফট দেওয়ার জন্য নিতে পারে। আমাদের কোম্পানিতে সব মানুষের সাধ্যের মধ্যে সোনা কিনতে পাওয়া যাবে।’
এদিন শ্রীলংকা সিরিজ নিয়েও কথা বলেন সাকিব। এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা অবশ্যই ভালো করার। শ্রীলংকা টেস্টে ভালো হলেও আমাদেরই ভালো করার সম্ভাবনা বেশি। দুই দেশই একই শক্তির বলা যায়। তবে আমরা আশা করছি সিরিজ আমরা জিততে পারবো।’
ক্রিকেটের বাইরে এত ব্যবসা সামলাতে অসুবিধা হয় কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে সাকিব বলেন, ‘আমার প্রথম প্রায়োরিটি ক্রিকেট। ক্রিকেটের বাইরে আমি যে ফ্রি সময় পাই, তখন এসব করি। আর আমার নিজের অফিস বা এসব করা লাগে না। আমি যোগ্য মানুষ দিয়ে সব পরিচালনা করি। বুদ্ধিমানরা তাই করে। আমি বিশ্বাস করি, আমি কিছুটা হলেও বুদ্ধিমান।’