রোববার থেকে শুরু হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও সফরকারী শ্রীলংকার মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্ট। ঝলমলে রোদে টিভি পর্দায়, কম্পিউটারের মনিটরে বা মুঠোফোনে যারা খেলা দেখেছেন তারা স্বস্তিতে থাকলেও খেলোয়াড়রা ছিলেন অস্বস্তিতে।
শ্রীলংকা দ্বীপদেশ, পুরোটাই সমুদ্রে ঘেরা। বাংলাদেশ বদ্বীপ। চট্টগ্রাম যেহেতু সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা, সেখানে লঙ্কান স্বাদ একটু আধটু পেতেই পারেন কুশল মেন্ডিস! তবে লঙ্কান ব্যাটার কুশল মেন্ডিস দাবি করেছেন, বাংলাদেশে তথা চট্টগ্রামে শ্রীলংকার চেয়েও বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে তার।
.png)
প্রথম দিনের খেলা শেষে কুশল বলেন, ‘অনেক বেশি গরম। শ্রীলংকার চেয়েও একটু বেশি!’
সাগরের পাশ ঘেরা বলে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আর্দ্রতা থাকে বেশি। স্টেডিয়ামের নামটাও ‘সাগরিকা’। উইকেটও নাকি শ্রীলংকার উইকেটের মত। নোনা জলের ঘ্রাণ, গরম আর উইকেট মিলিয়ে লঙ্কানরা তাই এখানে নিজ দেশের স্বাদ পাচ্ছেন।
কুশল বলেন, ‘আমার মনে হয় এখানকার পিচ শ্রীলংকার মত। স্পিনাররা একই, ফাস্ট বোলাররাও একই। আশা করি বাংলাদেশের স্পিনার ও ফাস্ট বোলারদের সামলে নিতে পারব। মাঝে মাঝে হয়ত আউট হয়ে যাই। পরেরবার কী হয় তা অবশ্য জানি না!’
রোববার দুপুরে সাগরিকায় তাপমাত্রা ছিল ৩২-৩৩ ডিগ্রির মধ্যে। তবে অনুভূত হয়েছে ৩৭ ডিগ্রির মত। এই মৌসুমে শ্রীলংকার প্রায় প্রতিটি ভেন্যুতে তাপমাত্রাই থাকে চট্টগ্রামের মত। তবুও কুশলের কাছে একটু হয়ত একটু অসহনীয়ই লাগছে বাংলাদেশের গরম।