স্টামফোর্ড ব্রিজে চেলসি-টটেনহাম ম্যাচে ক্ষণে ক্ষণে মেজাজ হারিয়েছেন খেলোয়াড়েরা, হাতাহাতি লেগে গিয়েছিল দুই কোচেরও। ম্যাচ শেষে দুজনেই দেখেছেন লাল কার্ড।
রাহিম স্টার্লিংয়ের পাস থেকে ১৮তম মিনিটে কাই হ্যাভার্টজের শটটা ঠেকিয়ে কোনোক্রমে ঠেকান টটেনহ্যাম গোলরক্ষক উগো লরিস। সেই কর্নার এগিয়ে যায় চেলসি।
.png)
চলতি দলবদলে চেলসিতে পাড়ি জমানো মার্ক কুকুরেয়ার দারুণ কর্নার বক্সের বাইরের দিকে খুঁজে পায় ব্লুজদের আরেক নতুন রিক্রুট কালিদু কুলিবালিকে। তার দারুণ এক ভলি গিয়ে আছড়ে পড়ে স্পার্সদের জালে। প্রথমার্ধে সেই গোলের জবাব আর দিতে পারেনি সফরকারীরা।
জবাবটা আসে ৬৮তম মিনিটে। বেন ডেভিসের পাসে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে গোল করেন পিয়েরে এমিল হয়বিয়ের।
ম্যাচের উত্তেজনার শুরু তখনই। গোলের উদযাপনে বেপরোয়া টটেনহ্যাম কোচ কন্তে কী ভেবে যেন ছুটে যান চেলসির ডাগআউটের দিকে। তার দিকে টুখেলও এগিয়ে আসেন। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দুই ডাগআউটে। এরপর দুই জনকেই দেখানো হয় হলুদ কার্ড।
চেলসি তাদের পরের গোল পায় ৭৬ মিনিটে। স্টার্লিংয়ের পাস থেকে রিস জেমসের করা গোলটিতে এগিয়ে গিয়ে যেন প্রতিশোধের নেশা চেপে বসে চেলসি কোচ টুখেলের মগজে। এবার তিনি ছুটে যান কন্তের সামনে দিয়ে।
নির্ধারিত সময়ে ২-১ গোলে এগিয়ে থাকা চেলসি যখন জয়ের প্রহর গুনছে, তখনই হ্যারি কেইন কেড়ে নিলেন আলো। যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে কর্নার থেকে তার করা হেডে বল আছড়ে পড়ে স্বাগতিকদের জালে। ২-২ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে টটেনহ্যাম।
কিন্তু ঘটনা সেখানেই শেষ হয়নি। ম্যাচ শেষ হাত মেলাতে গিয়ে আবার লেগে যায় কন্তে-টুখেলের। দুজনকে ছাড়াতে এগিয়ে আসতে হয় দুই দলের কোচিং স্টাফ ও রেফারিদের।
শেষ পর্যন্ত দুজনকেই লাল কার্ড দেখান রেফারি। এ নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। ভাগ্যিস, সেটা মারামারি পর্যন্ত গড়ায়নি!