বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনা বেশ পুরনো দল। এ নিয়ে অষ্টাদশবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপ খেলছে আলবিসেলেস্তারা। অন্যদিকে বিশ্ব সেরার মঞ্চে সৌদি আরব এবার নিয়ে ষষ্ঠবার। অর্থাৎ, সৌদি আরবের থেকে তিনগুণ বেশি বিশ্বকাপ খেলেছে আর্জেন্টিনা। অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে তাই মেসিদের এগিয়ে রাখতেই হয়।
দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ‘সি' গ্রুপের ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় মুখোমুখি হবে এই দুই দল। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-সৌদি আরবের ম্যাচ এবারই প্রথমবার। স্বভাবতই এই লড়াইয়ে ফেবারিট আর্জেন্টিনা।
.png)
শক্তি কিংবা সাম্প্রতিক ফর্ম, কোনো দিক দিয়েই আর্জেন্টিনার ধারেকাছে নেই সৌদি আরব। আর্জেন্টিনা দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। প্রথমবার ১৯৭৮ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় তারা। পরেরবার ১৯৮৬ সালে একক নৈপুণ্যে দেশকে বিশ্বকাপের ট্রফি এনে দেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। অন্যদিকে সৌদির সেরা সাফল্য একবার শেষ ষোলোতে খেলা।
সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনা রয়েছে রীতিমত উড়ন্ত ফর্মে। সেই কোয়াপ আমেরিকা থেকে শুরু। এরপর থেকে সবশেষ ৩৬ ম্যাচে হার দেখেননি লিওনেল মেসিরা। অন্যদিকে সৌদি নিজেদের শেষ ৫ ম্যাচে দুটি জিতেছে, দুটি ড্র করেছে আর হেরেছে একটিতে।
সর্বশেষ ম্যাচে গত ১৬ নভেম্বর ক্রোয়েশিয়ার কাছে ১-০ গোলে হেরেছে সৌদি আরব। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা একই তারিখে ৫-০ ব্যবধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে উড়িয়ে দিয়েছিল। সবশেষ ম্যাচের ফ্লাফল কিংবা পারফর্ম্যান্স হোক আর ম্যাচ জয়ের ইতিহাস হোক, আর্জেন্টাইনরা তাই সবদিক বিবেচনায়ই এগিয়ে থাকবে।
তবে সৌদি আরব অপেক্ষাকৃত দুর্বল হলেও একদম সহজ প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনার জন্য, এমনটা বলে দেয়ার উপায় নেই। ভিন্ন ভিন্ন প্রতিযোগিতায় এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। আলবিসেলেস্তেদের সাফল্য কিন্তু শতভাগ নয়। দুটিতে জয় পেয়েছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। দুটি ম্যাচ হয়েছে ড্র। ২০১২ সালে সবশেষ দেখায় প্রীতি ম্যাচটি শেষ হয়েছিল গোলশূন্য সমতায়।
তাই এশিয়ার সৌদি আরব আরও একবার লাতিন আমেরিকানদের পরীক্ষায় ফেলবে, সেটা আগেভাগে বলে দেওয়া যায়। জিততে মেসিদেরকে তাই সেরা খেলাটাই খেলতে হবে।