কোয়ার্টার ফাইনালে এই ম্যাচে হার-জিতের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয় পেনাল্টি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে দুরন্ত এক পেনাল্টিতে ম্যাচে সমতা এনেছিলেন ইংলিশ অধিনায়ক কেইন। আবার এই কেইনই পেনাল্টি মিস করে ডুবিয়েছেন দলকে। তবে সমৃদ্ধ হয়েছে ব্যক্তিগত ভাণ্ডার।
পেনাল্টিতে প্রথম গোলটা করার পরই ইংল্যান্ডের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে ওয়েইন রুনির পাশে বসেন কেইন। পরের গোলটা করতে পারলে ছাড়িয়ে যেতেন রুনিকেও। ক্যারিয়ারে ১২০ ম্যাচ খেলে ৫৩ গোল করেছিলেন রুনি। কেইন তাকে ছুঁয়ে ফেললেন ৮০ ম্যাচেই।
.png)
কাতারে গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে জালের দেখা পাননি কেইন তবে নকআউট পর্বের প্রথম দুই ম্যাচেই গোল করেন ২৯ বছর বয়সী তারকা। বিশ্বকাপে কেইনের গোল হলো ১১ ম্যাচে ৮টি। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্ব মঞ্চে তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল গ্যারি লিনেকারের, ১২ ম্যাচে ১০টি।
কেইনের এমন রেকর্ডের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। ১৭ মিনিটে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে নেন চুয়ামেনি। ৭৮ মিনিটে ফ্রান্সের জয়সূচক গোলটি করেন অলিভার জিরুদ। আসরে এটা তার চতুর্থ গোল।