শুক্রবার ৩৬ বসন্তে পা রাখলেন সাকিব আল হাসান। ১৯৮৭ সালের এই দিনে (২৪ মার্চ) মাগুরাতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
২০০৬ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) হাতেখড়ির পর মাত্র ১৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু সাকিবের। ওই বছর হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয়। একই বছর সাকিবের অভিষেক হয় টি-২০তেও।
.png)
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজেকে পূর্ণ অলরাউন্ডার হিসেবে চেনানো সাকিব ২০০৯ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে আসেন। এরপরের পরিসংখ্যান তো কম-বেশি সবারই জানা।
২০১১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। বর্তমানেও টাইগারদের টেস্ট ও টি-২০ সংস্করণে অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ডের ভার রয়েছে তার কাঁধেই।
বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৩ ফরম্যাটেই সেরা অলরাউন্ডার হয়েছেন সাকিব। তবে ২০১৯ বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে যা করে দেখিয়েছেন তা ছিলো অবিশ্বাস্য। রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙেছেন, গড়েছেনও।
প্রসঙ্গত, ১৭ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২৩০টি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। তাতে ৩৭ গড়ে তার রান ৭০৮৬ আর বল হাতে উইকেট ৩০১টি। টেস্টে ৬৫ ম্যাচে তার রান ৪৩৬৫। এই ফরম্যাটে সাকিবের উইকেট ২৩১টি। ফরম্যাটটিতে এক ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ১৯ বার।
পাশাপাশি দেশের জার্সিতে সাকিব টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন ১১২টি। তাতে ২৩ গড়ে সাকিবের রান ২২৮১। আর বল হাতে নিয়েছেন ১৩১ উইকেট।