সুইজারল্যান্ডের ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পোর্টস স্টাডিজের (সিআইইএস) সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ফুটবল ক্লাবগুলোর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি অনুসারীর দুটি ক্লাবই স্পেনের।
এক্ষেত্রে চারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটক মিলিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের অনুসারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৩৬২ মিলিয়ন। ৩৪২ মিলিয়ন অনুসারী নিয়ে এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে রিয়ালের চির প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা।
.png)
২০০ মিলিয়নের অধিক অনুসারীর ক্লাব হিসেবে এরপর শুধুমাত্র রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ইউরোপীয়ান শীর্ষ ক্লাবগুলোর মধ্যে চতুর্থ স্থানে থাকা পিএসজির অনুসারীর সংখ্যা ১৮৭ মিলিয়ন।
পাঁচটি শীর্ষ ইউরোপীয়ান লিগের বাইরে অনুসারীর দিক থেকে শীর্ষ তিন অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিলের ফ্ল্যামেঙ্গো (১৪তম, ৫০ মিলিয়ন), মিশরের আল-আহলি (১৮তম, ৪৫ মিলিয়ন) ও তুরষ্কের গ্যালাতাসারে (১৭তম, ৪০ মিলিয়ন)।
শীর্ষ ১০০ ক্লাবের মধ্যে আরো রয়েছে সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ড, মেক্সিকো, পর্তুগাল, ইরান, তানজানিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মরক্কো, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চিলি, রাশিয়া ও স্কটল্যান্ডের ক্লাব।
ইনস্টাগ্রাম (১৩৫ মিলিয়ন) ও ফেসবুকে (১১৭ মিলিয়ন) সবচেয়ে বেশী অনুসারী রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের। এদিকে টুইটারে (৮৩ মিলিয়ন) সর্বোচ্চ বার্সেলোনার ও টিকটকে (৪০ মিলিয়ন) পিএসজির অনুসারী বেশী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ১০ ক্লাব (মিলিয়নের হিসেবে):
ক্লাব টুইটার ইনস্টাগ্রাম ফেসবুক টিকটক মোট
রিয়াল মাদ্রিদ ৭৯.৭ ১৩৫ ১১৭ ৩০.৮ ৩৬৩
বার্সেলোনা ৮২.৮ ১১৯ ১১২ ২৮.৩ ৩৪২
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৪১.৫ ৬১.৫ ৮০.৮ ২২.৪ ২০৬
পিএসজি ২৩.৭ ৭০.২ ৫২.৫ ৪০.৪ ১৮৭
জুভেন্টাস ১৫.১ ৫৭.৭ ৪৭.০ ২৪.৩ ১৪৪
চেলসি ২৭.৭ ৩৯.৪ ৫৩.৬ ১৩.৭ ১৩৪
ম্যানচেস্টার সিটি ২৫.৫ ৪০.৯ ৪৫.৮ ১৮.৭ ১৩১
লিভারপুল ২৯.৫ ৪১.৮ ৪৪.৭ ১৪.৬ ১৩১
বায়ার্ন মিউনিখ ১৩.৮ ৩৮.১ ৫৮.৮ ১৬.০ ১২৭
আর্সেনাল ২২.০ ২৫.৭ ৪১.১ ৪.৯ ৯৩.৭