সবশেষে ১৯৯০ সালের নভেম্বরে টানা তিন ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করেছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনুস। ওই রেকর্ডের দীর্ঘ ৩৩ বছর পর এমন কীর্তি গড়লেন লংকান স্পিনার হাসারাঙ্গা। আর তাতে ভর করে আয়ারল্যান্ডকে বিদায় করে সুপার সিক্সে উঠল শ্রীলংকা।
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে রোববার আইরিশদের ১৩৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে লংকানরা। এদিন বুলাওয়েতে আগে ব্যাট করে সব উইকেট হারিয়ে ৩২৫ রান সংগ্রহ করে শানাকাবাহিনী। জবাবে ১৯২ রানেই গুটিয়ে যায় অ্যান্ড্রু বালবির্নির দল।
.png)
এ ম্যাচে দারুণ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে শ্রীলংকাকে বিশাল সংগ্রহ পাইয়ে দেন দিমুথ করুণারত্নে। ১০৩ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন এই লংকান ওপেনার। আর ৮৬ বলে ৮২ রানের ইনিংস খেলে পার্শ্ব-নায়কের ভূমিকায় ছিলেন সামারাবিক্রমা। এছাড়া চরিথ আসালাঙ্কা ৩৮ ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভা খেলেন ৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস।
এরপর বল হাতে আয়ারল্যান্ডের চূড়ান্ত সর্বনাশ করেন শ্রীলংকার হাসারাঙ্গা। এই ডানহাতি স্পিনারের ভেলকিতে কাবু হন ৫ আইরিশ ব্যাটার। নিজের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে জশ লিটলকে কট বোল্ড করে পঞ্চম শিকারটি ধরেন হাসারাঙ্গা। এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে ৫ বা তার বেশি উইকেট পেলেন তিনি।
চলতি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলংকা। সেই ম্যাচে ২৪ রানে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন হাসারাঙ্গা। এরপর ওমানের বিপক্ষে মাত্র ১৩ রানেই তুলে নেন ৫ উইকেট। আর আজ ৫ উইকেট পেতে তাকে খরচ করতে হয়েছে ৭৯ রান। এছাড়া শ্রীলংকার বোলারদের মধ্যে আজ মাহিশ থিকশানা পেয়েছেন ২টি উইকেট।
লংকান বোলারদের দাপটে দাঁড়াতেই পারেননি আয়ারল্যান্ডের কোনো ব্যাটার। সর্বোচ্চ ৩৯ রান এসেছে কার্টিস ক্যাম্ফারের ব্যাট থেকে। এছাড়া হ্যারি টেক্টর ৩৩ এবং জর্জ ডকরেল করেছেন ২৬ রান।
এ নিয়ে টানা তিন জয়ে বাছাইয়ের গ্রুপ 'বি' থেকে শীর্ষে থেকে সুপার সিক্স পর্ব নিশ্চিত করল শ্রীলংকা। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ড টানা তিন হারে বিদায় নিল প্রথম পর্ব থেকেই। শ্রীলংকার জয়ে উপকার হলো ওমান এবং আয়ারল্যান্ডেরও। কারণ দুটি করে জয় নিয়ে সুপার সিক্স নিশ্চিত হয়ে গেল তাদেরও। আর আইরিশদের মতো বাদ পড়লো এখনো জয়ের মুখ না দেখা সংযুক্ত আরব আমিরাতও।