ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজ-২০২৩

তাসকিন ঝড়ে অল্পেই থামল আফগানিস্তান

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১:০৫, ১৬ জুলাই ২০২৩
তাসকিন ঝড়ে অল্পেই থামল আফগানিস্তান
ছবি- সংগৃহীত

জিতলেই সিরিজ শিরোপা উঁচিয়ে ধরবে বাংলাদেশ। আর হারলে টি-২০ সিরিজটি ড্র হবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টাইগার পেসার তাসকিন ঝড়ে অল্পেই থেমেছে সফরকারী আফগানিস্তান।

রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-২০তে বাংলাদেশের বিপক্ষে লড়ছে আফগানিস্তান। বৃষ্টি বিঘ্নিত কার্টেল ওভারের ম্যাচে ১৭ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। এতে ডার্ক লুইস মেথডে (বৃষ্টি আইন) বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১১৯ রান।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

Advertisement

সিরিজ ড্র’য়ের লক্ষ্যে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে আফগানিস্তান। এ ম্যাচে ফরিদ আহমেদের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন ওয়াফাদার মোমান্দ।

আফগানিস্তানের হয়ে যথারীতি ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও হজরতউল্লাহ জাজাই। মাঠে নেমেই তাসকিনের চতুর্থ বল মাঠ ছাড়া করেন গুরবাজ। তবে পরের বলেই তাসকিনের হাতেই ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৮ রান করেন তিনি।

এরপর উইকেটে আসেন ইব্রাহিম জাদরান। ম্যাচের তৃতীয় ওভারেই মুশফিকের তালুবন্দী করে হজরতউল্লাহ জাজাইকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান তাসকিন।

দলের হাল ধরতে ক্রিজে আসেন মোহাম্মদ নবী। পরে ইব্রাহিমকে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন তিনি। অবশ্য বৃষ্টি বাঁধায় প্রায় সোয়া ঘন্টা খেলা বন্ধ ছিল। বৃষ্টি থামলে আবারো মাঠে গড়ায় খেলা।

বৃষ্টির পর ব্যক্তিগত ইনিংস লম্বা করতে পারেননি নবী। মুস্তাফিজের বলে ১৬ রানে লিটনের তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। পরের ওভারেই সাকিবের বলে বোল্ড হন ইব্রাহিমও (১৬)।

পরপর উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে আফগানরা। তবে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও করিম জানাতের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। এই জুটি থেকে ৪২ রান আসে। তবে টাইগার শিবিরে ভয় ধরানো এ জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজ। নবীকে (১৬) লিটনের তালুবন্দী করে সাজঘরে ফেরান ফিজ।

এরপর জুটি বেঁধে দ্রুত রান তুলতে থাকেন ওমরজাই-করিম। অবশ্য ম্যাচের ১৬তম ওভারে ফুল লেংথের বলটি এক্সট্রা কভারে খেলতে চেয়েছিলেন ওমরজাই। তবে বলটি ব্যাটের কানায় লেগে ডিপ থার্ড ম্যান শামীম হোসেনের কাছে চলে যায়। এতে ২৫ রানে থামেন এ ডানহাতি ব্যাটার।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে তাসকিনের থেকে বাউন্ডারি ও ছক্কা আদায় করে নিয়ে দলীয় রান বাড়াতে থাকেন করিম জানাত। কিন্তু তাসকিনই তাকে আউট করেন। সাজঘরে ফেরার আগে ২০ রান করেন তিনি। এতে আফগানিস্তানের ইনিংস থামে ১১৬ রানে।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন তাসকিন। এছাড়াও দুই উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!