ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

২০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হলো ঐতিহাসিক বলটি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:২০, ১৭ জুলাই ২০২৩
২০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হলো ঐতিহাসিক বলটি
ছবি- সংগৃহীত

ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্টে ‘অ্যাশেজ’ বরাবরই বড় একটি নাম। মর্যাদার এ লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। যে সিরিজ ঘিরে মাঠ ও মাঠের বাইরে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে অবিশ্বাস্যভাবে!

প্রায় দেড়শ বছর ধরে চলছে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ লড়াই। ১৮৮২-৮৩ মৌসুমে শুরু হওয়া সিরিজটি আধুনিক সময়ে এসে এতটুকুও জনপ্রিয়তা হারায়নি। তবে এ আসরের মধ্যে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য সিরিজ রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ১৯৮১ সালের সিরিজটি। যেটি ‘বোথাম অ্যাশেজ’ নামে পরিচিত। 

এবার সেই অ্যাশেজের বেশকিছু স্মরণীয় স্মারক নিলামে তুললেন স্যার ইয়ান বোথাম। এই নিলামটি অনুষ্ঠিত হয় লন্ডনের দ্য ওভাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। যেখানে দুইশরও বেশি স্যুভেনির বিক্রি করেছেন ৬৫ বছর বয়সী বোথাম। 

Advertisement

১৯৮১ সালের অ্যাশেজের এজবাস্টন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাত্র ১১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন বোথাম। সেই স্মারক বলটি বিক্রি হয়েছে ২০ হাজার পাউন্ডে।  

এর আগে হেডিংলি টেস্টে ১৪৯ রানের নায়কোচিত ইনিংস খেলেন বোথাম। সেই ম্যাচের স্টাম্প বিক্রি হয় ১১ হাজার পাউন্ডে। এছাড়া ম্যাচ-সেরার পদকটি বিক্রির বিনিময়ে ১৯ হাজার পাউন্ড পান বোথাম। যা অনুমানের দ্বিগুণের থেকেও বেশি মূল্য ছিল।  

যদিও নিলামে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া স্মারকটির সঙ্গে ক্রিকেটের কোনো সম্পর্ক নেই। ১৯৭৭ সালে চ্যারিটি শিল্ডে লিভারপুলের বিপক্ষে ম্যাচের জার্সিটি বোথামকে উপহার দিয়েছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফুটবলার স্যামি ম্যাকলরয়। সেই জার্সি বিক্রি হয়েছে অনুমানের চেয়ে সাত গুণ বেশি মূল্যে (২৩ হাজার পাউন্ড)।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ১৫ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ১০২ ম্যাচ খেলে ৫ হাজারের বেশি রান ও ৩৮৩ উইকেট নিয়েছেন বোথাম। ১৯৮১ সালের অ্যাশেজ নিয়ে কথা উঠলে তার নামটাই বেশি উচ্চারিত হয়। যেখানে ১-০ তে পিছিয়ে থাকার পরও বোথামের দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। সেবার ছয় ম্যাচের সিরিজে ৩৯৯ রান ও ৩৪ উইকেট নিয়েছিলেন বোথাম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!