এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২৬.৩ ওভারে পাঁচ উইকেটে ২০১ রান।
মঙ্গলবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আট উইকেটে ২৯১ রান সংগ্রহ করেছে শ্রীলংকা। এতে আফগানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৯২ রান।
.png)
আফগানদের হয়ে রান তাড়া করতে নামেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই উইকেটের স্বাদ পেত লংকানরা। তবে গুরবাজের ক্যাচটি পয়েন্ট থেকে হাতছাড়া করেন সাদিরা।
অবশ্য প্রথম উইকেটের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি লংকানদের। ম্যাচের তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় ওভারেই আফগান শিবিরে আঘাত হানেন রাজিথা। তার বলটি বাটের কানায় লেগে কুশাল মেন্ডিসের গ্লাভসে চলে যায়। এতে মাত্র ৪ রানেই সাজঘরে ফিরতে হয় আফগান ওপেনার গুরবাজকে।
গুরবাজের বিদায়ে উইকেটে আসেন গুলবাদিন নাঈব। এরপরেই সাজঘরে ফেরেন আফগানদের আরেক ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান (৭)।
ব্যাট হাতে আফগানদের আশা দেখালেও ব্যর্থ হন গুলবাদিন নাঈবও। মাথিশা পাথিরানার বলে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ২২ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। তবে আফগান দলপতি হাশমতউল্লাহ শাহিদী ও রহমত শাহ জুটিতে ভালোভাবে এগোতে থাকে জোনাথন ট্রটের শিষ্যরা।
তবে ম্যাচের ১৯তম ওভারে রহমত শাহকে সাজঘরে ফিরিয়ে লংকান শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়েছেন রাজিথা। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে ৪৫ রান করেন তিনি।
এরপর বাইশ গজে আসেন আফগানদের অভিজ্ঞ ক্যাম্পেইনার মোহাম্মদ নবী। আফগান দলপতি শাহিদীর সঙ্গে ৮০ রানের জুটি গড়েন তিনি। যেখানে ঝড়ো ফিফটি হাঁকিয়েছেন এ ডানহাতি ব্যাটার।
ম্যাচের ২৫তম ওভারে চতুর্থ বলে পাথিরানাকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নবী। যা আফগানদের ইতিহাসে দ্রুততম ফিফটি। এরপর চার-ছক্কা হাঁকিয়ে ৬৫ রানেই থামে তার ঝড়ো ইনিংস।
পরে ক্রিজে আসেন করিম জানাত। তাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন আফগান দলপতি হাশমউল্লাহ শাহিদী।