শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল পৌণে ৭টায় ব্রাজিলের বেলেমে ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয় বলিভিয়া। যেখানে প্রতিপক্ষের জালে পাঁচবার বল পাঠিয়েছে সেলেসাওরা, গোল হজম করেছে একটি। এ ম্যাচে জোড়া গোলের দেখা পেয়েছেন নেইমার ও রদ্রিগোজ। এতে বিশ্বকাপের লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের ম্যাচে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে আধিপত্য দেখিয়েছে সেলেসাওরা। ম্যাচের ৮০ শতাংশ বল পায়ে রেখে লক্ষ্যে ১১টি শট নেয় ব্রাজিল। অন্যদিকে ২০ শতাংশ বল দখলে রেখে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বলিভিয়া। তবে এ ম্যাচে ১৪টি ফাউল করে বলিভিয়া, নেইমাররা করেছেন ৬টি। এছাড়া ৬টি কর্নার পেয়েছে ব্রাজিল এবং মাত্র ১টি কর্নারের সুযোগ পায় প্রতিপক্ষরা।
.png)
এদিন দলকে শুরুতেই হতাশ করেন নেইমার। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন তিনি। তবে প্রথম গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিক ব্রাজিলকে। এর ৭ মিনিটের মাথায় দলকে গোলের আনন্দে ভাসান রদ্রিগেজ। ২৪তম মিনিটে বলিভিয়ার জাল খুঁজে নেন এ রিয়াল তারকা। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় লাতিন আমেরিকার জায়ান্টরা।
বিরতি থেকে ফিরেই বলিভিয়ার জালে গোল উৎসবে মাতেন নেইমার-রদ্রিগোজরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্রাজিলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাফিনহা। নেইমারের পাস থেকে দুর্দান্ত গোল করেন তিনি। এরপর ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন রদ্রিগোজ।
ইনজুরি থেকে ফিরে দলের হয়ে প্রথম গোলের জন্য নেইমারকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৬১ মিনিট পর্যন্ত। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করলেও এবার সুযোগ হাতছাড়া করেননি। দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন। এতে দেশটির কিংবদন্তি পেলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের দখলে নেন তিনি।
ম্যাচের ৭৮ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বলিভিয়া। এডারসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে দেন ভিক্টর আব্রেগো। আর ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে বলিভিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন সম্প্রতি আল হিলালে যোগ দেওয়া নেইমার। এতে ৫-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠে ছাড়ে ফার্নান্দো দিনিজের শিষ্যরা।